ওয়েব ডেস্ক : অতীত হয়ে গেল নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) জামানা। বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বুধবার শপথ নিলেন সম্রাট চৌধুরী (Samrat Choudhary)। সে রাজ্যের ২৪তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। এদিন রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইন পাটনা লোকভবনে শপথবাক্য পাঠ করান সম্রাট চৌধুরীকে।
মূলত, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড এবং হরিয়ানায়াতে রয়েছে বিজেপির (BJP) মুখ্যমন্ত্রী। এবার বিহারেও গেরুয়া শিবিরের নেতাই মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন তিনি। বলে রাখা দরকার, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ চৌহান জানিয়েছিলেন, সম্রাট চৌধুরীই হতে চলেছেন বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে গতকালই বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন নীতীশ কুমার।
আরও খবর : হরমুজ সংকটে ট্রাম্পকে ৪০ মিনিট ফোন মোদির! কী কথা হল দু’জনের? দেখুন বড় খবর
বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর সমাজমাধ্যমে নীতীশ বলেছিলেন, এবার থেকে নতুন সরকারের বিহারের শাসনভার নিয়ন্ত্রণ করবে। তাঁদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। দরকারের পরামর্শও দেবেন বলেও জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বিহারের রাজনীতিতে বর্তমান সময়ের সবথেকে চর্চিত নাম সম্রাট চৌধুরি (Samrat Choudhary)। ২০২৬ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে তাঁকে বিহারের ভবিষ্যৎ মুখ্যমন্ত্রী। যার পিছনে রয়েছে তাঁর দীর্ঘ তিন দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, মজবুত জাতিগত সমীকরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা। ১৯৯০ সালের গোড়ার দিকে সম্রাট তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু হয়। মণ্ডল রাজনীতির উত্থান থেকে শুরু করে আজকের জোট রাজনীতির যুগ। রাজনৈতিক জীবনে তিনি আরজেডি ও জেডিইউ হয়ে ২০১৮ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ারে তিনি দল বদলাননি, উল্টে প্রতিটি দলের অন্দরের সমীকরণ বুঝে নিজেকে আরও শক্তিশালী করেছেন। ১৯৯৯ সালে রাবড়ি দেবী সরকারের মন্ত্রী। ২০২৪ সালে বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হওয়া। বিহারের রাজনীতিতে একটি বড় অংশ জুড়ে আছে জাতপাত। সম্রাট চৌধুরী কুশওয়াহা (কৈরি) সম্প্রদায়ের মানুষ। নীতীশ কুমারের কুর্মি ও সম্রাট চৌধুরীর কুশওয়ায়া ভোটব্যাঙ্ক একজোট হলে বিহারে রাজনীতি এক অন্য গল্প লিখবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
দেখুন অন্য খবর :
