ওয়েবডেস্ক- বঙ্গে দুই দফার ভোট (2026 Assembly Election) সম্পন্ন হয়েছে। এবার গণনার পালা। কে গড়বে সরকার? সেই দিকেই তাকিয়ে আছে বাংলার সাধারণ মানুষ। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই ভোট করানো হয়েছে, এবার গণনায় (Vote Counting) আরও সক্রিয় কমিশন। ৪ মে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হলে পার করতে হবে ত্রিস্তরীয় (Three-Tier security zone) যাচাই পর্ব।
ইভিএমের (EVM) নিরাপত্তায় আটোসাঁটো নিরাপত্তার কথা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মোট তিনটি ধাপে এজেন্টদের পরিচয়পত্র যাচাই করা হবে। এর প্রথম ধাপে ও দ্বিতীয় ধাপে থাকছে এজেন্টদের পরিচয়পত্র। তৃতীয় ধাপে কিউ আর কোড ভেরিফিকেশন করা হবে।
শেষ পর্যায়ে আইডি কিউ আর কোডে স্ক্যান করার পরেই গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ মিলবে।
রিটার্নিং অফিসার, সহকারি রিটার্নিং অফিসার, গণনা কর্মী, প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট সকলের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। জেলা নির্বাচন আধিকারিক ও রিটার্নিং অফিসারদের এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে নির্ধারিত চেকপয়েন্টগুলিতে প্রশিক্ষিত কর্মী মোতায়েন করা হবে।
প্রসঙ্গত, জেলায় জেলায় কমিশনের নজরদারিতে স্ট্রং রুমগুলি। আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা। তার আগে রাজ্যের স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তা বাড়িয়েছে কমিশন।
স্ট্রংরুম ও গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে কমিশন। আগে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন- আগামীকালই পুনর্নির্বাচন? কী বলছে কমিশন?
কমিশন সূত্রে খবর, সেই সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। স্ট্রং রুম, ও গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় যে ২০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের করা হয়েছিল, তার মধ্যে ১০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি বিএসএফ, ১৫ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ১৫ কোম্পানি এসএসবি।
প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারায় থাকছে ন্যূনতম ২৪ কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। এবার রাজ্যে ভোটগণনা কেন্দ্রের সংখ্যা আগের চেয়ে কমিয়ে দিয়েছে কমিশন। এ বার ২৯৪টি আসনের ভোট গোনা হবে ৮৭টি কেন্দ্রে।
