11.5 C
New York

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন থালাপথি বিজয়

Must Read

ওয়েবডেস্ক-  তামিলনাড়ুর (Tamilnadu) মুখ্যমন্ত্রী (CM) পদে শপথ (swearing)  নিলেন থালাপথি বিজয় (Thalapati Vijay) । আজ রবিবার শপথ নিলেন তিনি। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। বিজয় ক্যাবিনেটের আরও ৯ মন্ত্রীর শপথ। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ত্রিশা কৃষ্ণন। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার শনিবার টিভিকে প্রধান বিজয়কে শপথবাক্য পাঠ করান। শনিবার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার (Governor Rajendra Bishwanath Arlekar) থালাপথি বিজয়কে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করেন।

তামিল ভাষায় শপথ নিলেন তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। ভাষণের শুরুতে তিনি বলেন, ‘আমি শ্রী জোসেফ বিজয়’। গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে শুধুই করতালি। কালো ট্রাউজার, সাদা সার্ট, কালো ব্লেজার পরে শপথ অনুষ্ঠানে আসেন বিজয়। এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি হয় চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। প্রথমে বন্দে মাতরম, পরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তামিলনাড়ুর মসনদে TVK প্রধান তথা সুপারস্টার থালাপথি বিজয়। গত শনিবার চেন্নাইয়ের লোকভবনে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে দেখা করে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ পেশ করেন বিজয়। তার পরেই রাজ্যপাল বিজয়কে তাঁর সরকার গঠনের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। ২৩৪ আসন বিশিষ্ট তামিলনাড়ু বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১১৮ হলেও, বিজয়ের নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষে বর্তমানে ১২০ জন বিধায়কের সমর্থন পেয়েছেন।

রাজভবন থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রবিবার সকাল ১০টায় চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহেরু ইনডোর স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিজয়। রাজ্যপাল তাঁকে জানিয়েছেন, আগামী ১৩ মে-র মধ্যে বিধানসভায় আস্থা ভোট দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।

আরও পড়ুন-  আর কেউ বিজেপির বিরুদ্ধে টিকতে পারবে না,’ রাহুলের মন্তব্যে ভাঙনের মুখে INDIA জোট?

তামিলনাড়ুর ভোটে ফল ছিল ত্রিশঙ্কু। গত ৪ মে ফলাফল ঘোষিত হয়। বিজয়ের দল ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা গরিষ্ঠতা কিছুটা কম ছিল। এর মধ্যে বিজয় নিজের জেতা দুটি আসনের একটিছেড়ে দেওয়ায় দলের বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়ায় ১০৭-এ। এই পরিস্থিতিত বামপন্থী দল সিপিআই এবং সিপিআই(এম)-এর পাশাপাশি কংগ্রেস, ভিসিকে ( এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ) বিজয়কে সমর্থন দেয়। ফলে ১০৭ জন টিভিকে বিধায়কের সঙ্গে এই শরিক দলগুলির সমর্থন যোগ হওয়ায় সরকার গঠনের আর কোনও বাধা রইল না। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠার এই যাত্রাপথে বিজয়ের এই সাফল্য দক্ষিণের রাজনীতিতে এক অধ্যায়ের সূচনা করল।

 

Latest News

ইউনুসের আমলে সাংবাদিকদের উপর মাত্রাছাড়া নির্যাতন, গর্জে উঠল ‘নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট’ 

নিজস্ব প্রতিবেদক-  বাংলাদেশে (Bangladesh) গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের পতন হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। মসনদে বসে ইউনুস সরকারের (Yunus...

More Articles Like This