ওয়েবডেস্ক- আজ বাংলার মসনদে আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করল বিজেপি (Bjp Government) । মুখ্যমন্ত্রী হলেন শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikari)। গোটা বাংলা জুড়ে আজ শুধুই গেরুয়া পতাকা। সেজে উঠেছে গোটা কলকাতা (Kolkata) । গত বছরের এক শেষদিক থেকে ভোটের আগে পর্যন্ত জান-প্রাণ লড়িয়ে ভোট প্রচার চালিয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ও স্বরাষ্ট্রমমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । আজ তাঁদের সেই লড়াই, পরিশ্রমের জয় হল। আজ ব্রিগেডকে লক্ষ্য করে নির্দিষ্টসময়ের একঘন্টা আগেই কলকাতায় আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আরও পড়ুন- মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
বাংলায় মানুষের জনসমর্থন কুড়িয়ে দুশোর বেশি সিট নিয়ে বাংলার পদ্মফুল ফুটেছে। আজ মঞ্চ থেকে রাজ্যবাসীকে হাঁটু গেড়ে প্রণাম জানালেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী হলেন শুভেন্দু অধিকারীর।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে ওই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সহ বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলির একাধিক মুখ্যমন্ত্রীও।
মন্ত্রিসভায় শপথ নিলেন পাঁচজন মন্ত্রী। এরা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। বিজেপি ২০২১ সালেই বাংলা দখল করার জন্য কোমর বেঁধে নেমেছিল। সেই বছর নির্বাচনে তারা মাত্র ৭৭টি আসনে জয়ী হতে পেরেছিল। পরে তাদের দলের কয়েকজন বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছিলেন। এর কিছুদিন পরেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের উপর আক্রমণাত্মক বক্তব্য তাকে মানুষের কাছে হিরো করে তোলে। শুভেন্দুর মুখে বার বার উঠে এসেছে ‘অনুপ্রবেশকারী’ থেকে ‘রোহিঙ্গা’দের কথা।
এবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ‘পরিবর্তনের’ ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাদের প্রচারের মূল স্লোগান ছিল ‘পালটানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার’। ৪ মে ভোট গণনায় বিজেপি রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ২০৭টিতে জয়লাভ করে বিজেপি। ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম শাসনের ইতি টেনে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার, সেই পরিবর্তনেও শুভেন্দু অধিকারীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ছাব্বিশের বিধানসভায় তৃণমূল সরকারে পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় এল বিজেপি।
