ওয়েবডেস্ক- বাংলায় বিপুল মানুষের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি (Bjp) । মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Cm Shuvendu Adhikari) । সরকারে এসেই মন্দির (Mandir) বা মসজিদে (mosque) লাউড স্পিকার (Loud Speaker) বাজানো নিয়ে কড়া পদক্ষেপ জারি করল রাজ্য সরকার।
সূত্র মারফত দাবি করা হয়েছে, এই নিয়ম কানুন কঠোর ভাবে পালন করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারে তরফে পুলিশকে জানানো হয়েছে, হাইকোর্টের আদেশ অনুসারে, মন্দির, মসজিদ বা অন্য কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে কোথাও উচ্চস্বরে লাউডস্পিকার বাজানো যাবে না। কোথাও তারস্বরে স্পিকার বাজানো হলেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারে বসে বেশ কিছু নিয়মে বদল করতে চাইছে। দুর্নীতি থেকে সামাজিক জনজীবন, সব ক্ষেত্রেই কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছে শাসক শিবির। সেই তালিকায় আসে তারস্বরে লাউড স্পিকার বাজানো থেকে শুর করে রাস্তায় হেলমেট পরা, রাস্তায় নমাজ পড়ার মতো ঘটনা।
আরও পড়ুন- দেবাংশুর নেতৃত্বে আইটি সেল ভেঙে দিল তৃণমূল! কেন এমন সিদ্ধান্ত?
সোমবার এক সাক্ষাৎকারে বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং বলেন, রাস্তায় নমাজ পড়া আর বরদাস্ত করা হবে না। জনস্বার্থ এবং আদালতের নির্দেশকে হাতিয়ার করেই এই কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী নিজে একাধিক বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। দুর্নীতি দমনে যেমন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়া হয়েছে, তেমনই সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ সুবিধাজনক করতে রাস্তায় ধর্মীয় জমায়েতেও রাশ টানা হচ্ছে।
অর্জুনের কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত কঠোর আদেশ জারি করেছেন। কোনও ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। রাস্তায় নমাজ পড়ার কোনো অনুমতি দেওয়া হবে না।” তার পরামর্শ, নমাজ পড়তে হলে মসজিদে যাওয়াই শ্রেয়। এতে যানজটের কমবে, অপরদিকে আদালতের নির্দেশ পালন করা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আইন-শৃঙ্খলা এবং নাগরিক শৃঙ্খলার দিকে অতি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। অর্জুন সিং মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, রাস্তায় নমাজ পড়া সীমিত করার পিছনে আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ রয়েছে। সরকার কেবল সেই আইনি দিকটিই কার্যকর করতে চাইছে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার কোনও উদ্দেশে নেই, রাস্তা যাতে সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য উপযোগী থাকে সেটা দেখা অন্যতম কর্তব্য সরকারের। তাই সরকার আদালতের নির্দেশকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
