হরমুজ পেরিয়ে ভারতের পথে আরও ২ জাহাজ! দিল্লিকে কত ফি গুনতে হল?

0
40

ওয়েব ডেস্ক: এলপিজি সঙ্কেটের (LPG Crisis in India) মধ্যে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর। যুদ্ধ বিধ্বস্ত হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পেরিয়ে ভারতের পথে আরও ২ জাহাজ।LPG বহনকারী দুটি বিশাল ভারতীয় ট্যাঙ্কারের আগামী ৪৮ থেকে ৬০ ঘণ্টার মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পাইন গ্যাস এবং জগ বসন্ত নামের জাহাজ দুটি যুদ্ধবিধ্বস্ত হরমুজ প্রণালী নিরাপদে অতিক্রম করেছে। প্রণালী পার হওয়ার সময় ভারতীয় যুদ্ধজাহাজগুলো সমুদ্রে এই ট্যাঙ্কারগুলোকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। দু’টি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় ৯২ হাজার ৬০০ টন গ্যাস দেশে আসতে চলেছে বলে খবর।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর শারজাহের কাছে এই দুই ট্যাঙ্কার বেশ কিছু সপ্তাহ ধরেই আটকে পড়েছিল। সূত্রের খবর, শনিবারই দু’টি জাহাজ ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয়। এরপর সোমবার জাহাজগুলি হরমুজ পেরোয়। পাইন গ্যাস ট্যাঙ্কারটি ৪৫,০০০ টন এলপিজি বহন করছে। এটি নিউ ম্যাঙ্গালুরু বন্দরের দিকে আসছে এবং ২৭ মার্চের মধ্যে সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জগ বসন্ত ট্যাঙ্কার, ৪৬,০০০ টন এলপিজি বহন করছে এবং এটি পোর্ট কান্দলার দিকে আসছে। এটি ২৬ মার্চ সেখানে পৌঁছাবে। জগ বসন্ত জাহাজে ৩৩ জন ভারতীয় এবং পাইন গ্যাস জাহাজে ২৭ জন ভারতীয় রয়েছেন। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের মতে, বর্তমানে হরমুজ প্রণালীর আশেপাশে ৫৪০ জন নাগরিককে বহনকারী ২০টি ভারতীয় জাহাজ অবস্থান করছে। ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ-৩ জগ বসন্তের চারপাশে এটিকে এসকর্ট করছে।যুদ্ধ এবং গ্যাস সংকটের মাঝে একের পর এক ভারতীয় জাহাজের হরমুজ পার যে বিরাট কূটনৈতিক সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে নতুন দায়িত্বে রিঙ্কু সিং, কী করবেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা?

ভারত সরকার দেশে এলপিজির প্রাপ্যতার দিকে নজর রাখছে। ভারতে অনলাইন বুকিং ৮৪% থেকে বেড়ে ৯৩% হয়েছে, অন্যদিকে আতঙ্কিত হয়ে করা বুকিং কমেছে। সরকারের মতে, অভ্যন্তরীণ এলপিজি সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে। পাইন গ্যাসে ৪৫,০০০ টন এলপিজি মজুত রয়েছে। এই পরিমাণ কিলোগ্রামে হলো ৪৫,০০০,০০০ কেজি। সেই হিসেবে আনুমানিক ৩,১০৩,৪৪৮টি ১৪.৫ কেজি সিনিন্ডারে ভরা যাবে।জগ বসন্ত ৪৬,০০০ টন এলপিজি বহন করছে। এই এলপিজি দিয়ে প্রায় ৩১,৭০,০০০টি গার্হস্থ্য রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ভরা যাবে। এইভাবে, যদি শুধুমাত্র উভয় ট্যাঙ্কার থেকে এলপিজি দিয়ে সিলিন্ডারগুলি ভরা হয়, তাহলে মোট ৬২ থেকে ৬৩ লক্ষ গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডার ভরা যাবে।

প্রশ্ন হল, হরমুজ পেরনোর ‘অনুমতি’ দেওয়ার জন্য নয়াদিল্লিকে কি বড় অঙ্কের ‘ফি’ দিয়ে হয়েছে ইরানকে?সম্প্রতি একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে ইরানের এই অর্থ নেওয়ার বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের জাতীয় সুরক্ষা কমিটির সদস্য আলাদিন বোরোজের্দির নাম। তাঁর কথায়, “প্রত্যেকটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার করার জন্য ২ মিলিয়ন ডলার দিতে হচ্ছে ইরানকে। যুদ্ধের যথেষ্ট খরচ রয়েছে। তাই হরমুজে চলাচলকারী জাহাজের থেকে অর্থ নেওয়াই উচিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here