Fourth Pillar | এবার বিজেপির বিদায়

0
30

মোদ্দা কথা হল বাংলা ওনার চাই, হ্যাঁ, অমিত শাহ (Amit Shah) বলে দিয়েছেন। নিয়ম, নীতি, সংবিধান, আইনের শাসন গেছে গড়ের মাঠে ঘাস কাটতে, বাংলা চাই। আর গত ১০ বছর ধরে তার জন্য যা যা করা দরকার মোদি শাহ সেসব করছেন। হ্যাঁ গাছে ফল ধরছে না, করছেন কিন্তু কাজে দিচ্ছে না। আর তাই এক প্ল্যান বির জন্যও তৈরি আছে বিজেপির। হিসেব মত ১১০/১২০ টা আসন চাই। ব্যস, উসকে বাদ হম দেখ লেঙ্গে, এতাই নাকি আসিওর‍্যান্স, এটাই নাকি মোদিজীর আসল গ্যারান্টি, ১১০/১২০ দাও, আমরাই সরকার বানিয়ে দেবো। আর সেই ১১০/১২০ র জন্য ইডি, সি বি আই, রাজ্যের পাওনা টাকা আটকে দেওয়া, রাজ্যে রাজপালদের পাঠিয়ে সরকারকে ব্যতিব্যস্ত করা, দেশে কোথাও হয় নি কিন্তু বাংলাতে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে এক অদ্ভুত বস্তুকে কাজে লাগানো, টাকার লোভ, একে মেডেল, তাকে পদ, অন্যজনকে পুরস্কার, নানান ভাবে কিছু লোকজকে ভাঙানো, অঢেল পয়সা খরচ করে প্রচার যন্ত্রটাকে কিনে নেওয়া, এতদিন যাঁরা করে কম্মে খেতেন, এই জামানাতে যাঁরা সেই করে কম্মে খাওয়ার লড়াই তে পিছিয়ে পড়েছেন, তাঁদের কাউকে জেলে পাঠিয়ে, কাউকে ভয় দেখিয়ে, কাউকে ক্ষমতায় এলেই মাথায় বসানোর লোভ দেখিয়ে একটানা বিরোধীদের বিরুদ্ধে বলে যেতে হবে, হ্যাঁ এটাই একমাত্র শর্ত। এবং এর পরে ভোটের আগে রাজ্যপাল কে সরিয়ে, ভোট ঘোষণার পরে, সেই রাতেই মুখ্যসচিব স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে বিজেপি যেটা করতে চাইছে তা খুব পরিস্কার, বাংলা চাই, কম করে ১১০/১২০ টা আসন চাই, তৃণমূল কে ১৭০ এ আটকে দাও, তারপর আমরা বুঝে নেবো। হ্যাঁ, এই নির্বাচনে, বিজেপি বিরোধী দলগুলোর একটা কমন শ্লোগান হতেই পারে যে, নির্বাচনের জন্য বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিন, বা নির্বাচন ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিন, প্রত্যেক বিজেপি বিরোধী দলের এটা কর্তব্য হওয়া উচিত, মানুষকে এটা বোঝানো যে, বিজেপি থাকলে নির্বাচন খতরে মে হ্যায়, বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে, এই নির্বাচনের ব্যবস্থাটাই বিপন্ন হয়ে পড়বে। ধরুন টাইপ রাইটার, আর নেই। কারণ টাইপ রাইটারের জায়গায় কমপিউটার এসে গেছে, যে কজন ধর্মতলায় বসে থাকতেন, বা আলিপুর কোর্টে বসে থাকতেন টাইপ রাইটার নিয়ে, তারাও আজ আর নেই। ধরুন সেই ল্যান্ড ফোন, মোবাইল ফোন এসে ল্যান্ড ফোন কে বিপন্ন করে তুলেছে, জরুরি খবর আসতো টেলিগ্রামে, পিওন এসে টেলিগ্রাম বললেই বুক টা ধক করে উঠতো, মোবাইল আসার পর টেলিগ্রাম উধাও, মোড়ে মোড়ে ফোন বুথ নেই। এরকম হয়, একটা বিকল্প জনপ্রিয় হয়ে গেলে, আগেরটা উবে যায়। ঠিক সেই রকমভাবেই নির্বাচন ব্যবস্থার বিকল্প এসে গেছে, এবার নির্বাচনটা তুলে দিলেই হয়, মানে নির্বাচনের যদি কোনও দরকারই না থাকে, তাহলে মিছি মিছি এই টাকা পয়সা খরচ করে কী হবে? আর যদি মনে হয়, নির্বাচন গণতন্ত্রের অন্যতম অঙ্গ, অন্যতম শর্ত, তাহলে বিজেপিকে মুছে ফেলতে হবে, বিজেপি দল গণতন্ত্র বিরোধী।

নির্বাচনের প্রয়োজন নেই, বিজেপি নির্বাচনের পরে গরু ঘোড়া, থুড়ি এম এল এ কিনে সরকার ফেলে দিচ্ছে, বদলাচ্ছে, নিজেরা সরকারে বসছে। রীতি নিতী, নৈতিকতার কোনও বালাই নেই, বিরোধীদের রাখবো না। তেমন বিরোধী, যারা মিলেমিশে চলবে, যারা কেন্দ্রে বিজেপি সরকার কে ঘাটাবে না, তাদের ছাড় দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু কংগ্রেস বা বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার কোনও শক্তির সরকার কে, যে কোনও মুল্যে উৎখাত করা হবে, এটা বিজেপির সিদ্ধান্ত। মনে আছে ২০২১ এর নির্বাচন ঘোষণার মুখে পন্ডিচেরির কংগ্রেস সরকার পড়ে গিয়েছিলো? ২০১৬ তে নির্বাচিত হয়েছিল কংগ্রেস সরকার, ৩০ জনের বিধান সভায় তাদের বিধায়ক ছিল ১৫ জন, সমর্থনে ছিল ২ জন ডি এম কে, ১ জন নির্দল, মাহে থেকে নির্বাচিত সদস্য। এ আই ডি এম কে এম এল এ ছিল ৪ জন, আর কংগ্রেস ভেঙে নতুন দল এন আর কংগ্রেস পেয়েছিল ৮ টা আসন। বিজেপি? শূন্য। সরকার ফেলল কারা? মানে কাদের ভোটে সরকার পড়ে গ্যালো? কয়েকজন কংগ্রেস বিধায়ক সমর্থন তুলে নিলেন, নির্দল বিধায়কও সমর্থন তুলে নিল। কিন্তু তাতেও সরকার পড়তো না, আসরে নামলো ৪ জন মনোনীত বিধায়ক। হ্যাঁ এই তিন জন মনোনীত বিধায়কই বিজেপির, তাদের ভোটাধিকার আছে, তাঁরা মাঠে নামলেন, আগামী নির্বাচনের ঘোষণার মুখে সরকার পড়ে গ্যালো, নির্বাচিত সরকার পড়ে গ্যালো। পন্ডিচেরি বা পুদুচ্চেরি তে বিজেপি নেই, কিন্তু রীতি হল রাজ্যপাল বা লেফটান্যান্ট গভর্নর তিন জন গণ্যমান্য কে নির্বাচিত করবেন, তা যে রাজ্যে একজন নির্বাচিত বিধায়ক নেই, সেই রাজ্যেই তিনজন মনোনীত বিজেপি বিধায়ক পাওয়া গ্যালো, এবং তাঁরাই মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিলেন, একেই বলে বিজেপির গণতন্ত্র। তারপর থেকে পুদুচ্চেরিতে বিজেপিই সরকারে। নরেন্দ্র মোদীর ১২ বছর এ তারা ৯ টা নির্বাচিত সরকার ভেঙেছে, কোথাও কোথাও নিজেরা ক্ষমতায় এসেছে। অর্থাৎ নির্বাচনে কে জিতল কে হারলো, এখন আর তাতে কিছু এসে যায় না, বিজেপি চাইলে সরকার ভেঙে দিতে পারে, অন্তত ভাঙার চেষ্টা তো চালাতেই পারে। এবং মজার কথা হল গোপনে নয়, তারা প্রকাশ্যেই এই খেলা খেলতে পারে, বুক ঠুকে এই খেলায় নামতে পারে। এক বিজেপি নেতা, ব্যক্তিগত আলোচনায় বলছিলেন, কত পাবো? ১১০? বেশ তো বাকি ৪০ টা কিনতে কত সময় লাগবে? কতজন তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এসেছে? অনেকে আছে যারা থেকে গেছে, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে, তারা তখন কাজে লাগবে। মানে বিজেপি কিন্তু এই অপশনটার কথা ভেবে রেখেছে, এবং আমিও নিশ্চিত যে বিজেপি একশ পার করলেই, সর্ব শক্তি নিয়ে এই ভাঙার খেলায় নামবে, কারণ এটা তাদের রাজনৈতিক দর্শন। আগে দেখে নেওয়া যাক কোন কোন মন্ত্রী সভা বিজেপি ভাঙল, কেমন ভাবে ভাঙল?

প্রথমেই আসবে কাশ্মীরের নির্বাচিত সরকার, যে সরকারের তারা ছিল শরিক, বিজেপি পিডিপি মিলে সরকার তৈরি করেছিল, বিজেপি বেরিয়ে এল। পিডিপি, ন্যাশনাল কনফারেন্স আলাপ আলোচনা শুরু হল, অনায়াসে সরকার তৈরি করা যায়, মধ্যে শুধু ইগো, আর কোনও বাধাই নেই। অমিত শাহ সাত সকালে জানিয়ে দিলেন কেবল সরকারই ভাঙা হয় নি, রাজ্যটাকেও ভাঙা হয়ে গ্যাছে। কী কান্ড ভাবুন, দুদিন আগে যে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার চালাচ্ছিল, তারাই বলল পিডিপি দেশদ্রোহী, কেবল পিডিপি কেন? রাজ্যের প্রতিটি বিরোধী দলের নেতাদের জেলে পুরে, সরকার ভেঙে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দিল, মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার ভাঙা হল। আসুন বিহারে, বিজেপির সঙ্গে ঝামেলা হল, নীতিশ কুমার, লালু, কংগ্রেস জোট হল। বিরাট জয়। লালুর বেশি বিধায়ক, নীতিশের কম, তবুও মুখ্যমন্ত্রী তবুও নীতিশ। মেনে নিলেন লালুও। কিন্তু চাপে ছিলেন, একদিন শ্বাসকষ্ট হল, বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীত্বের র গাজর অফার করল, নীতিশ গিললেন, কিসের নির্বাচন? কিসের আবার মানুষের রায়? লালু জেডিইউ সরকার ভেঙে জেডিইউ বিজেপি সরকার হয়ে গেলো। এখন সেই সরকার আর জেডি ইউ র ও নয়, বিহার এখন বিজেপির হাতে। মধ্যপ্রদেশ, মানুষের রায়ে হেরেছিল বিজেপি। বি এস পি আর কয়েকজন বিরোধী বিধায়কের সমর্থন নিয়ে, তৈরি হল কমলনাথের নেতৃত্বে, বিজেপি মাঠে নামলো, পেয়েও গ্যালো এক বিভীষণকে, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া শ্বাসকষ্টে ভুগতে লাগলেন, শ্বাসকষ্ট সারানোর জন্য সিন্ধিয়ার সমর্থক বিধায়করা, বিজেপির ব্যবস্থাপনায় রিসর্টে চলে গ্যালো, অতিমারীর মধ্যেই বিধানসভা বসলো, কংগ্রেসের সরকার ভেঙে বিজেপির সরকার তৈরি হল। তারপর থেকে বিজেপিই সরকারে। সিকিম এ বিজেপির কিছুই ছিল না, দল ভাঙানো হল, আঞ্চলিক দল থেকে বিজেপি তে এসে গ্যালো এমএলএ, বিজেপির সরকার তৈরি হয়ে গেলো, মানুষ ভোট দেয়নি তো কী? বিজেপি সরকার চায়, মানুষের ভোট পেলে ভালো, না পেলেও চলবে। সিকিমে এখনও বিজেপিরই সরকার। আসুন অরুণাচলপ্রদেশে, কংগ্রেসের ৪২ জন বিধায়ক, ৬০ জনের বিধানসভায়, ভালো গরিষ্ঠতা। ২১ জনকে ভাঙা হল, হ্যাঁ ২১ জন। রাজ্যপাল একমাস পরের নির্বাচন কে এগিয়ে আনার নির্দেশ দিলেন, কোর্ট কাছারি হল, এরমধ্যে ২০ জন বিদ্রোহী এম এল এ আর ১১ জন বিজেপি এমএলএ, ২ জন নির্দল আর ডেপুটি স্পিকার বিধানসভার বাইরে বিধানসভা বসিয়ে দিল, সেখানে তারা আনুষ্ঠানিক ভাবে স্পিকার কে সরানোর প্রস্তাব নিল, হ্যাঁ বিধান সভার বাইরে বসে আবার কোর্ট কাছারি, এমন কি হাই কোর্ট এই কাজ কে সমর্থন করলো, কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই কাজের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছিল, এই সময়ে তখনকার রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, রাজ্যপাল রাজখোয়া কে সরানোর জন্য বলেছিলেন, যা বিজেপি সরকার শোনে নি, এরপর নতুন কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খান্ডুর শ্বাসকষ্ট হল, তিনি ৩২ জন বিধায়ক নিয়ে বিজেপি তে এলেন, এবং বিজেপির সরকার তৈরি হল, এখনও সেখানে বিজেপিরই সরকার। নীতি নৈতিকতা গ্যাছে গড়ের মাঠে ঘাস কাটতে, বিজেপির শ্লোগান, যে কোনও মুল্যে গদি চাই।

আরও পড়ুন: Fourth Pillar | রান্নার গ্যাস নিয়ে মোদিজির ধাপ্পাবাজির চেহারাটা দেখুন

মণিপুরে ৬০ জনের বিধানসভায় কংগ্রেস ২৮ টা আসনে জিতেছিল, বিজেপি ২১ টা আসন পেয়েছিল, সরকার তৈরি করার ডাক পাবার জন্য বসে রইল কংগ্রেস, দাবি জানালো। রাজ্যপালের কাছে দাবি জানালো বিজেপিও, রাজ্যপাল বিজেপি কে ডাকলেন, বাকি দের শ্বাসকষ্ট হলো, তাদের সমর্থনে সরকার বিজেপির, বিজেপির গণতন্ত্র, রাজ্যপাল ছিলেন একদা কংগ্রেস, পরে বিজেপি তে যোগ দেওয়া নাজমা হেপতুল্লা। রাজ্যপাল বানানোর প্রতিদান, বিজেপির সরকার। এখনও তাই। ব্যতিক্রম কর্নাটকের নির্বাচন, বিজেপি পূর্ণ বহুমতের কিছুটা পেছনে, সরকার তৈরি করার চেষ্টা করলো, এখানে উল্টোদিকে থাকা দেবেগৌড়ার জনতা দল আর কংগ্রেস কে না ডেকে রাজ্যপাল সব চেয়ে বেশি বিধায়ক যাদের আছে তাদের ডাকলেন, যেটা মণিপুরে হল না। বিজেপি আস্থাভোটের যথেষ্ট ঘোরা যোগাড় করতে পারলেন না, জনতা দল আর কংগ্রেসের সরকার তৈরি হল, কিছুদিনের মধ্যেই কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ, বিজেপি ক্ষমতায়। সরকার বিজেপির। কুমারস্বামীর সরকার ভেঙে ইয়েদুরিয়াপ্পার সরকার তোইরি হল, বিজেপির সরকার! কিন্তু আবার নির্বাচনে হেরে গেল বিজেপি। না কর্ণাটকে তারা প্রথম দফাতে সফল হলেও পরে সেটা ধরে রাখতে পারেনি। উত্তরাখন্ড, হরিশ রাওতের নেতৃত্বে কংগ্রেসের সরকার, আবার সেই কেনা বেচা শুরু, রাওত বললেন বেশ বিধানসভা বসুক। রাজ্যপাল তার আগেই সরকার ভাঙার প্রস্তাব দিলেন, কোর্টের রায়ে বিধানসভা বসলো, হরিশ রাওত জিতলেন। কিন্তু আরো কদিন পরে অনেকের শ্বাসকষ্ট হল, কংগ্রেসের সরকার ভাঙা হল।

একই নির্লজ্জ ছবি মহারাষ্ট্রে, সেই একই ভাবে দল ভেঙে, রাজ্যপালকে দিয়ে ভোর সাতটায় শপথ গ্রহণ করিয়েও টেঁকানো যায় নি বিজেপি সরকার কে, মহারাষ্ট্র হাত থেকে বেরিয়ে গেছিল, তারপর দুটো দলকে, হ্যাঁ দু দুটো দলকে ভেঙে তারা আজ ক্ষমতায়, সেই দুটো দল শিবসেনা শিন্ধ্যে, অজিত পাওয়ারের এন সি পি ধীরে ধীরে তাদের ক্ষমতা হারাচ্ছে। মোদ্দা কথা হল, বিজেপি এই সংবিধান, আদালত, নিয়ম কানুনের তোয়াক্কাও করে না, তার সবকটা রাজ্য চাই, কংগ্রেসের রাজ্য তো চাইই চাই, বিরোধীদের মধ্যে যারা সরব, তাদেরও সরকার গড়তে দেওয়া যাবে না, এটা তাদের ঘোষিত লক্ষ। তাহলে দরকার টা কি নির্বাচনের? সবটাই যদি নেতা কিনে বেচেই করা যায়? আর যদি নির্বাচন ব্যবস্থা টাকে রাখতে হয়, সংসদীয় গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে হয় তাহলে তার সবচেয়ে বড় শত্রু বিজেপি কে চিহ্নিত করতে হবে, বলতেই হবে যদি অন্তত নির্বাচন ব্যবস্থাকে বজায় রাখতেচান, তাহলে বিজেপির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here