ওয়েবডেস্ক- শনিবার আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ বাহিনীর আক্রমণে নিহত হয়েছেন আয়াতুল্লা আলি খামেনেই (Ayatollah Ali Khamenei) । তিনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। এবার সর্বোচ্চ নেতা পদে কে বসবেন সেটাই এখন বড় প্রশ্ন ছিল। তড়িঘড়ি সেই জল্পনার অবসান হল।
এই অবস্থায় মুহূর্তে বর্ষীয়ান নেতা আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফিকে (Ayatollah Alireza Arafi) অন্তর্বর্তীকালীন সর্বোচ্চ নেতা (Interim Supreme Leader) হিসেবে বেছে নিল ইরান (Iran) । আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফিকে অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদের আইনবিদ সদস্য হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে, যিনি ইরানের সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অধীনে একজন উত্তরসূরী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবেন।
আয়াতুল্লা আলি খামেনেই মৃত্যুতে অভিভাবক শূন্য দেশ। এই অবস্থায় তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিল ইরান। গঠিত হল কাউন্সিল। সেই কাউন্সিলে রয়েছেন দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচারব্যবস্থার প্রধান ও অভিভাবক কাউন্সিলের এক আইন বিশেষজ্ঞ। খামেনেই মৃত্যুর পর এই কাউন্সিল যৌথভাবে দেশকে এই মুহূর্তে নেতৃত্ব দেবে।
আরও পড়ুন- নিহত খামেনেই, ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, ৭ দিনের সরকারি ছুটি
সর্বোচ্চ নেতা বাছাইয়ের জন্য সংবিধান অনুযায়ী সব ধরনের যোগ্যতা থাকতে হবে একজন ধর্মীয় নেতার মধ্যে। এর মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল তাঁকে পুরুষ ও ধর্মীয় আলেম হতে হবে। রাজনৈতিক জ্ঞানের সঙ্গে বর্তমান সরকারে প্রতি আনুগত্য গুরুত্ব পাবে এই সিদ্ধান্তে।
১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের আলি খামেনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তিনি ছিলেন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সেনাবাহিনীর প্রধান। জাতীয় পুলিশ ও মোয়াল পুলিশের ওপরও তার নিয়ন্ত্রণ ছিল। ইরানের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে থাকার বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীও ছিল তাঁরই নিয়ন্ত্রণে। ১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে জন্ম হয়েছিল খামেনির। সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগে তিনি আশির দশকে ইরাকের সঙ্গে রক্ষক্ষয়ী যুদ্ধে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইরানকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
