ওয়েব ডেস্ক : “এবার গোটা দেশই যন্তর-মন্তর হবে।” দিল্লিতে যন্তর-মন্তরকে (Jantar Mantar) বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরেই এই বার্তা দিলেন ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke)। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভের নির্দিষ্ট জায়গা হিসেবে বাদ দিয়ে মানুষের প্রতিবাদ জানানোর অধিকারকে নিশানা করা হচ্ছে।
অন্য একটি পোস্টে অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke) দাবি করেন, আজ যন্তর-মন্তরের স্বীকৃতি প্রত্যাহার করা হয়েছে, আগামী দিনে গণতন্ত্রকেও একইভাবে খর্ব করার চেষ্টা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, সমস্যাটা শুধু বিক্ষোভের জায়গা নিয়ে নয়, বরং মানুষের প্রতিবাদ জানানোর অধিকার নিয়েও।
সিজেপির (CJP) অন্য নেতারাও দিল্লি পুলিশের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। সংগঠনের নেতা সৌরভ দাসের দাবি, এই পদক্ষেপ শান্তিপূর্ণভাবে জমায়েত হওয়ার অধিকারের উপর আঘাত। যন্তর-মন্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদস্থল সরিয়ে দেওয়ার আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছিল কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
অন্যদিকে, সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা নতুন বিক্ষোভস্থল নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন। বিকল্প জায়গা হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টকে কেন ঘোষণা করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তুলে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, দিল্লি পুলিশ সোমবার যন্তর-মন্তরকে নির্দিষ্ট বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিবর্তে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ডকে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
নতুন তিনটি জায়গায় কীভাবে বিক্ষোভ করা যাবে, তা নিয়ে পৃথক নির্দেশিকা প্রকাশ করবে দিল্লি পুলিশ। এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এল, যখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে এসআইআর বিতর্কে দিল্লিতে বিরোধী জোট ইন্ডি এবং সিজেপির প্রতিবাদ চলছে। তারই প্রতিবাদ জানালেন সিজেপি নেতারা।
