ওয়েব ডেস্ক: আরও পাঁচ বছরের জন্য টাটা সন্স সংস্থার (Tata Sons) চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্বহাল হলেন এন চন্দ্রশেখরন (N Chandrasekaran)। তবে তাঁর দায়িত্বে ফেরা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থেকে যাচ্ছে। কারণ টাটা ট্রাস্টস-এর দুই নমিনি ডিরেক্টরের মধ্যে ভোট দেওয়া নিয়ে মতান্তর হয়েছে। টাটা ট্রাস্টস এবং তার অন্তর্ভুক্ত কিছু ট্রাস্টস টাটা সন্স-এর ৬৬ শতাংশ স্বত্বের মালিক। সেই সঙ্গে কোম্পানির বোর্ডে তাদের দুই নমিনি ডিরেক্টর আছেন, তাঁরা হলেন নোয়েল টাটা (Noel Tata) এবং বেণু শ্রীনিবাসন (Venu Srinivasan)।
বৃহস্পতিবারের বৈঠকে চন্দ্রশেখরনকে পুনর্বহাল করার বিপক্ষে ভোট দেন নোয়েল টাটা, কিন্তু পক্ষে ভোট দেন শ্রীনিবাসন। ট্রাস্টের দুই নমিনি ডিরেক্টরের মতানৈক্যে ভোট টাই হয়ে যায়। এরপর স্বাধীন ডিরেক্টর হরিশ মানওয়ানি (Harish Manwani), যিনি বৈঠকের চেয়ারপার্সন ছিলেন, তাঁর ভোট চন্দ্রশেখরনের পক্ষে ভোট দেন, এবং প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়। আইনি প্রশ্নটি এই বিষয়কে কেন্দ্র করে উঠছে যে, পুনঃনিয়োগের ক্ষেত্রে ট্রাস্টের মনোনীত প্রতিনিধিদের আলাদাভাবে কোনো ভোটিং বা ভোটদান-সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করার প্রয়োজন ছিল কি না।
আরও পড়ুন: মাত্র ৫ মিনিটের গুগল মিট! একসঙ্গে চাকরি গেল ৮০ ভারতীয় কর্মীর
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের কাছ থেকে টাটা ট্রাস্টস যে আইনি পরামর্শ পেয়েছে, তাতে বলা হয়েছে যে, এই নিয়োগের বিষয়ে ট্রাস্টের মনোনীত পরিচালকদের (নোয়েল টাটা ও ভেনু শ্রীনিবাসন) সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন থাকা আবশ্যক। ওই মতামতে আরও বলা হয়েছে যে, মানওয়ানির নির্ণায়ক ভোট দিয়ে এই আবশ্যিক শর্তটিকে উপেক্ষা করা যাবে না।
তবে এই মতামত কোনো আদালতের রায় নয় এবং এর ফলে চন্দ্রশেখরনের পুনর্নিয়োগ বাতিল হয়ে যায় না। তবে এটি টাটা ট্রাস্টসকে এমন একটি আইনি ভিত্তি দেয়, যার মাধ্যমে তারা প্রশ্ন তুলতে পারে যে, প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য বোর্ডের গৃহীত সিদ্ধান্তটি যথেষ্ট ছিল কি না।
