পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) গলসিতে (Galsi) ১৬ বছরের এক নাবালিকার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম প্রিয়া বাউরি। পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ঘটনায় নাবালিকার স্বামী শুভ বাউরিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গলসির বাসিন্দা প্রিয়ার সঙ্গে জাগুলিপাড়ার বাসিন্দা শুভর প্রায় সাত-আট মাস আগে পরিবারের অমতে বিয়ে হয়। সম্প্রতি স্বামীর সঙ্গে গলসির খেতুড়া গ্রামে মামা-শ্বশুরের বাড়িতে গিয়েছিলেন প্রিয়া। পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে সেখান থেকেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।
আরও খবর : ‘এবিভিপি বিজেপির শাখা সংগঠন নয়’, যাদবপুর বিতর্কে বড় বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের
প্রিয়ার পরিবারের অভিযোগ, মেয়ের মৃত্যুর খবর তাঁদের প্রথমে জানানো হয়নি। অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে পরে মৃত্যুর খবর জানতে পারেন প্রিয়ার মা। পরিবারের আরও দাবি, দেহটি প্রথমে জাগুলিপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে দেহ রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজন চলে যান।
এর পরেই গলসি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে প্রিয়ার পরিবার। তাঁদের দাবি, নাবালিকাকে খুন করে আত্মহত্যার চেহারা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ এবং প্রিয়ার স্বামী শুভকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। নাবালিকার মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়না-তদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
ইতিমধ্যে ময়না-তদন্তের পর প্রিয়ার দেহ পোতনা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। নাবালিকার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। পরিবারের অভিযোগ এবং ময়না-তদন্তের রিপোর্ট, দুইয়ের ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
