কলকাতা: তিলজলা (Tiljala) ও কসবার বেআইনি নির্মাণ (Illegal Construction Kasba) ভাঙার নোটিসের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)।শুক্রবার আদালতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation) চাইলেই হুট করে কোনও নির্মাণ ভেঙে ফেলতে পারবে না। ভাঙার আগে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া মেনে পদক্ষেপ করতে হবে। ভাড়াটিয়া নোটিস দিতে হবে কলকাতা পুরোসভাকে। সেই নোটিশের প্রেক্ষিতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে তাদের। আজ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
তিলজলার একটি বেআইনি আবাসনে অগ্নিকাণ্ডের পরে সেটিকে সেটিকে ভেঙে ফেলার তোড়জোড় শুরু হয়।বুলডোজার দিয়ে সেই আবাসনের একাংশ ভেঙেও দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলি তদন্তের স্বার্থে সিল করে রাখা হয়েছে।ওই চার বাড়ির বাসিন্দারা কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছেন। কলকাতা হাইকোর্টের গ্রীষ্মের ছুটির অবকাশকালীন বেঞ্চে আবেদন করা হয়। বাসিন্দাদের আবেদন তাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং জিনিসপত্র ওই বন্ধ ঘরের ভিতরে রয়েছে। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তারা বার করতে চান। এই আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের গ্রীষ্ম অবকাশকালীন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই বাড়ির বাসিন্দারা।বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের নির্দেশ, ১০ দিনের মধ্যে তদন্তকারী অফিসার, কলকাতা পুরসভার প্রতিনিধি ও আবেদনকারীদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিতে পারবে আবেদনকারীরা।
আরও পড়ুন: কালবৈশাখীর তাণ্ডবে গাছ উপড়ে বহু রাস্তায় যান চলাচল ব্যহত, উড়ল মেট্রো স্টেশনের শেড
আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, স্রেফ নোটিস পাঠিয়েই পুরসভার দায়িত্ব শেষ হবে না। ওই নোটিসের প্রেক্ষিতে বাড়ির মালিক এবং বাসিন্দারা যাতে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারেন, অর্থাৎ আইনিভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের উপযুক্ত সুযোগ পান, তা নিশ্চিত করতে হবে কলকাতা পুরসভাকে। বিচারপতি দত্ত পালের নির্দেশ, ওই সব নির্মাণ ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে।মামলাকারী ভাড়াটিয়াদের ৩০ দিনের মধ্যে বক্তব্য শুনতে হবে। নিয়মিত বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ফলে সাময়িক স্বস্তি পেলেন মামলাকারীরা।
