24 C
Kolkata

আরও কম ব্যবধানে মিলবে মেট্রো পরিষেবা! ‘মিশন ১৫০ সেকেন্ড’ লক্ষ্যে বড় মাইলস্টোন পার কলকাতার

Must Read

কলকাতা: এবার দ্রুত গন্তব্যে পৌঁচ্ছে যাবেন, কম ব্যবধানে মিলবে মেট্রো (Kolkata Metro) পরিষেবা। কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনে (Kolkata Metro Blue Line) আড়াই মিনিট অন্তর পরিষেবার।কলকাতা মেট্রোর ‘ব্লু লাইন’-এ সম্পূর্ণ পাতাল পথে স্টিলের থার্ড রেল সরিয়ে অত্যাধুনিক ও উচ্চ-পরিবাহী অ্যালুমিনিয়াম থার্ড রেল (Kolkata Metro High Conductivity Aluminum Third Rail) বসানোর কাজ সম্পন্ন হল। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে দাবি করা হয়েছে, সেই নয়া ব্যবস্থার ফলে আগামিদিনে মাত্র ১৫০ সেকেন্ড বা আড়াই মিনিট অন্তর ট্রেন চালানো সম্ভব হবে।

প্রতিদিন প্রায় লক্ষাধিকের বেশি যাত্রী কলকাতা মেট্রোয় (Metro Railway Kolkata) যাতায়াত করেন। কলকাতা মেট্রোর অন্য লাইনের তুলনায় ব্লু লাইনে কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর যাত্রী চাপ থাকে বেশি। সেই জন্য ব্লু লাইনে মেট্রো সংখ্যাও ছিল বেশি। এবার যাত্রী পরিষেবা আরও দ্রুত দিতে প্রায় ৪০ বছর পর ব্লু লাইনে বসানো হল নতুন অ্যালুমিনিয়ামের থার্ড রেল। তার ফলে লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা হবে আরও কার্যকর। এছাড়া ট্রেন চলাচলে বাড়বে গতি। আরও কম সময়ের ব্যবধানে পেতে পারেন মেট্রো। মেট্রো করিডরে ইস্পাতের থার্ড রেল ছিল। গত ৩ বছ ধরে ধাপে ধাপে ইস্পাত সরানোর কাজ চলছিল। জানা যাচ্ছে, কলকাতা মেট্রোর শুরু থেকেই ট্রেন চালানোর জন্য বিদ্যুৎ পরিবহণের মাধ্যম হিসেবে ট্র্যাক বা লাইনের পাশে একটি বিশেষ থার্ড রেল ব্যবহার করা হত, যা তৈরি ছিল ইস্পাত বা স্টিল দিয়ে। তবে আধুনিক প্রযুক্তির যুগে স্টিলের চেয়ে অ্যালুমিনিয়াম অনেক বেশি কার্যকর।

আরও পড়ুন: ভোটের ভরাডুবির পর প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচি অভিষেকের

কলকাতা মেট্রো সূত্রে খবর, প্রথম দফায় মহানায়ক উত্তমকুমার স্টেশন থেকে দমদম পর্যন্ত কাজ কাজ হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় মহানায়ক উত্তমকুমার স্টেশন থেকে কবি সুভাষ স্টেশন পর্যন্ত এই কাজ করা হবে। দৈনিক ২০০ মিটার করে থার্ড রেল বদলের কাজ হয়েছে। ইস্পাতের মতো অ্যালুমিনিয়ামের রেল জোড়ার ফলে ঝালাইয়ের বদলে পাত বসিয়ে যুক্ত করা হয়।মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক এস এস কান্নান জানান, এই অ্যালুমিনিয়াম থার্ড রেলের ফলে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। প্রায় ৮৪ শতাংশ বিদ্যুতের অপচয় কমবে। প্রায় এক কোটি টাকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলেই খবর। বিদ্যুতের ভোল্টেজ ড্রপ এবং শক্তির অপচয় অনেক কম হবে। ট্রেন দ্রুত গতিতে অ্যাক্সেলারেট করতে পারবে। ফলে ভবিষ্যতে ট্রেনের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে ১৫০ সেকেন্ড বা আড়াই মিনিটের হেডওয়ে পর্যন্ত নামিয়ে আনার যে পরিকল্পনা রয়েছে, তা বাস্তবায়ন সম্ভবপর হবে। টানেলের এয়ার-কন্ডিশনিং সিস্টেমের উপর চাপও কমবে। দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ৫০ হাজার টন কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব হতে পারে বলেও জানিয়েছে মেট্রো।

এই আপগ্রেড মূলত ব্লু লাইনের ভূগর্ভস্থ অংশে করা হয়েছে। অর্থাৎ নোয়াপাড়া থেকে দমদম এবং বেলগাছিয়া থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত ট্র্যাকেই নতুন অ্যালুমিনিয়াম থার্ড রেল বসানো হয়েছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে দক্ষিণের এলিভেটেড অংশ অর্থাৎ মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত অংশেও একই প্রযুক্তি চালু করা হবে।

Latest News

মন্দির নাকি পার্টি অফিস নির্মাণ? বচসা থেকে দ্বন্দ্ব, হুলুস্থুল কাণ্ড গঙ্গারামপুরে

দক্ষিণ দিনাজপুর: মন্দির নির্মাণ (Temple Building) না বিজেপির পার্টি অফিস (BJP Party Office) গড়ে তোলা হবে, তা নিয়ে বিজেপির...

More Articles Like This