ওয়েব ডেস্ক : ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি (BJP)। আর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর একের পর এক কড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন শুভেন্দু অধিকার (Suvendu Adhikari)। এবার জানানো হয়েছে, সরকারি কর্মীরা প্রকাশ্যে সরকার বিরোধী মন্তব্য করতে পারবেন না। যা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। এ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।
অভিষেক (Abhishek Banerjee) লিখেছেন, “সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা”, এটিকে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে মনে হচ্ছে। এই বিজ্ঞপ্তি শাসনব্যবস্থাকে রক্ষা করার জন্য নয়, বরং সমগ্র জুড়ে সরকারি কর্মচারীদের মুখ বন্ধ করতে, তাদের নীরবতা নিশ্চিত করতে দেওয়া হয়েছে।”
আরও খবর : পাকিস্তানের হয়ে গুপতচরবৃত্তি, কলকাতা থেকে গ্রেফতার এক
আরও লিখেছেন, “সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলা যাবে না। কোনও নিবন্ধ বা লেখালেখি করা যাবে না। মিডিয়ার কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া যাবে না। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের কোনো সমালোচনা করা যাবে না। এমন কোনো অভিব্যক্তি প্রকাশ করা যাবে না যা দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে পারে।” বিজেপিকে (BJP) আক্রমণ করে লিখেছেন, “বিজেপির রিমোট-কন্ট্রোল শাসনে, নীরবতাই এখন প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এক প্রধান শর্ত।”
“Complete prohibition.”
The phrase echoes through this circular like a WARNING – not to protect governance, but to ENFORCE SILENCE upon Govt employees across #Bengal.No speaking to the press.
No writing articles.
No participating in media programs.
No criticism of the… pic.twitter.com/nTVWxkuWVX— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) May 21, 2026
অভিষেক (Abhishek Banerjee) আরও লিখেছেন, এই স্তম্ভিত করার মতো বিজ্ঞপ্তিটি শৃঙ্খলার জন্য নয়, এটি আসলে মুক্ত অভিব্যক্তিকে খর্ব করার ও মৌলিক অধিকারের শ্বাসরোধ করার একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। যাতে দিল্লির প্রভুদের প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য নিশ্চিত করা যায়। সঙ্গে লিখেছেন, “সেটাই ভাবুন যা আপনাকে ভাবতে বলা হচ্ছে। তখনই কথা বলুন যখন অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।” শেষে লিখেছেন, “একটি সরকার যখন সমালোচনা সহ্য করতে পারে না, তখন সে ভিন্নমতকে দমন করতে শুরু করে। সেটা শক্তি প্রদর্শন নয়, সেটা হল গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরা!”
দেখুন অন্য খবর :
