জলপাইগুড়ি: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহের মধ্যেই নদী থেকে অবৈধ বালি তোলা রুখতে সক্রিয় হল প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের রংধামালি এলাকায় পুলিশ ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে যৌথ অভিযান চালান জলপাইগুড়ি সদর মহকুমার মহকুমা শাসক মঈন আহমেদ। অভিযানে গিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে (District news)।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় পৌঁছে নদী থেকে বালি তোলার জন্য বসানো একাধিক মেশিনপত্র দেখতে পান আধিকারিকরা। পাশাপাশি রাস্তাজুড়ে ছিল ভারী বালিবাহী ট্রাকের যাতায়াতের স্পষ্ট চিহ্ন। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন মহকুমা শাসক। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকা থেকে প্রকাশ্যে বালি পাচার চলছিল। কিন্তু ভয়ের পরিবেশে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেতেন না।
আরও পড়ুন: মাধ্যমিকে রাজ্যে ষষ্ঠ কাটোয়ার সৌমাল্য, স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়ার
বাসিন্দাদের বক্তব্য শোনার পর তাঁদের আশ্বস্ত করেন এসডিও মঈন আহমেদ। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, অবৈধ বালি পাচারের বিরুদ্ধে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেবে। যদিও অভিযানের সময় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি, তবে নদী থেকে বালি তোলার কাজে ব্যবহৃত একাধিক মেশিনপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে জলপাইগুড়ি সদর আসনে তৃণমূল প্রার্থী হওয়া কৃষ্ণ দাসের সঙ্গে এই বালি খাদানের যোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে তিনি পলাতক বলে দাবি এলাকাবাসীর।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনের এই অভিযানকে ঘিরে এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে নতুন করে উত্তেজনা।
