ওয়েবডেস্ক- ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (2026 West Bengal Assembly Election) । হাড্ডাহাড্ডি লড়াই মূলত তৃণমূল (TMC) ও বিজেপির (BJP) মধ্যে। ছাব্বিশের নির্বাচন আরও অনেক কারণেই হাইলাইট হয়ে থাকবে, এসআইআর (SIR) , বহু মানুষের নাম একলপ্তে ভোটের তালিকা থেকে বাদ, কমিশনের সঙ্গে বাংলার শাসকদলের মধ্যে দূরত্ব। সেই সঙ্গে প্রথম দফার ভোটে প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। যা রেকর্ড গড়েছে।
এবার ভোটে বিজেপির প্রধান নজর বাংলা। সেই লক্ষ্য নিয়েই ২০২৫ থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। বার বার রাজ্যের এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) থেকে অমিত শাহ (Amit Shah) । জোরকদমে প্রচার চালিয়েছেন দুজনে। একাধিক রোড শো থেকে জনসভা কিছু বাদ দেননি ।
সোমবার প্রচারের শেষলগ্নে বঙ্গবাসীকে খোলা চিঠি লিখলেন মোদি। লিখলেন, ‘ভয়ে অনেকদিন কেটেছে, এবার আস্থা আসুক। এখানকার যুবশক্তি, নারীশক্তি, আমাদের কৃষক ভাই-বোন হোক, শ্রমিক বা ব্যবসায়ী, সকলেই ‘বিকশিত বাংলা’ গড়ার জন্য সংকল্পবদ্ধ।’ অডিও বার্তায় মোদি বললেন, ‘বাংলার সেবা করা আমার কর্তব্য।’
একুশেও বাংলা দখলের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। ২০০ পার করবেন বলে হুঙ্কার দিয়েছিলেন অমিত শাহ। কিন্তু সেই হুঙ্কারই সার ছিল। ৮০-র গণ্ডি পার করতে পারেনি পদ্মশিবির। ছাব্বিশে তাই জান প্রাণ লড়িয়ে দিয়েছেন মোদি ও শাহ। উত্তরবঙ্গের কোনা কোনা থেকে দক্ষিণবঙ্গের প্রত্যন্ত জেলায় প্রচার করতে দেখা যাবে। তৃণমূলকে একবিন্দুও জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি। তাই এই নাছোড় প্রয়াস। একদিনে তিন থেকে চারটি করে সভা করেছেন। এবার প্রচারের শেষদিনে বঙ্গবাসীকে খোলা চিঠি দিলেন মোদি। অডিও বার্তায় শোনালেন তাঁর বক্তব্য। সেখানে বিগত দিনগুলোতে মানুষের কাছে যে ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন তা উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন- শেষ লগ্নের প্রচারে কলকাতার রাজপথে মমতা, তৃণমূলের মেগা র্যালি ঘিরে জনসমুদ্র
বললেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের সেবা ও সেখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার কর্তব্য। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে সুযোগ ও সম্ভাবনায় রূপান্তরিত করা আমার সৌভাগ্য ও দায়িত্ব বলে মনে করি। এই দায়িত্ব থেকে আমি কখনই সরে আসব না। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আমরা সকলে মিলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ সমারোহ উদযাপন করব।’
