ওয়েবডেস্ক- মোথাবাড়ি ঘটনায় (Mothabari Incident) ধৃতদের আদালতে পেশ। রাজ্যে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের পেশ NIA বিশেষ আদালতে (NIA Special Court) । মোফাক্কেরুল ইসলাম সহ ৪৯ জনকে পেশ। (এদের NIA গ্রেফতার করে নি, NIA হেফাজতে নেবে, তার আগে আদালতে পেশ পুলিশের)।
এদিন আদালতে মোফাক্কেরুলের (Mofakkerul Islam) আইনজীবী বলেন, পুলিশ তদন্ত শুরু করার তিনদিনের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, রাত ১২.১৫ রাতে ৭০০-৮০০ জন কয়েকজনের লিডারশিপে জমা জমায়েত করেছে। মোট পাঁচজনের কথা বলা হয়েছে। শেষ নাম, মোফাক্কেরুলের। ৯.৩০ রাতে কালিয়াচকে পৌঁছায় সেখানে বিক্ষোভ আটকে যায়।
সুজাপুরের পৌঁচতে ১০.৩০ বেজে যায়। মোফাক্কেরুলের অনুরোধ করা হয়, সরকারি অফিসারদের তরফে বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার জন্য। সেই অনুযায়ী বলে। বাক স্বাধীনতার অধিকার সবার আছে, এসআইআর নিয়ে বিক্ষোভ চলছিল।
মোফাক্কেরুল আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেল দশ মিনিটের ভাষণে কোনও উস্কানিমূলক মন্তব্য নেই। পুলিশ জানান, পুলিশ আবেদন করে সরকারকে সাহায্য করে মাইকে ঘোষণা করতে। এসপি-র উপস্থিতিতে আবেদন করা হয়েছিল। মোফাক্কেরুলের জমায়েত ওঠে।
আরও পড়ুন- ‘নির্লজ্জ অর্থমন্ত্রী কার্ড বিলি করছেন’, নির্মলাকে তোপ মমতা’র
অপরদিকে এনআইএ-র আইনজীবীর বক্তব্য, এয়ারপোর্ট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল মোফাক্কেরুলকে। অভিযুক্তের ভূমিকা রহস্যজনক, তাই তাকে জেরার প্রয়োজন আছে।
ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয় মালদার মোথাবাড়ি কাণ্ডকে ঘিরে। ভোটার তালিকায় নাম কেন নেই? এই অভিযোগ তুলে সাতজন বিচারককে আটকে রাখা হয়। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় তাদের উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার তীব্র ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয় মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে দায়িত্বভার নেবে এনআইএ অথবা সিবিআই। কে তদন্ত করবে তা ঠিক করবে কমিশন। এর পর নির্বাচন কমিশন (Election Commission) এনআইএ-এর উপর তদন্তের দায়িত্ব ভার দেয়। এই ঘটনায় উঠে আসে মোফাক্কেরুল ইসলামের নাম। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের ঘেরাও বিক্ষোভের দিন ঠিক কী কী ঘটনা ঘটেছিল তা খতিয়ে দেখছে আদালত। মোফাক্কেরুলের আইনজীবীর জানিয়েছেন, অন্যান্য ব্যক্তিদের ছেড়ে মোফাক্কেরুলকে ফাঁসানো হয়েছে।
