14.1 C
New York

গুণমান পরীক্ষায় ডাহা ফেল ১৯৮ ওষুধ! তালিকায় জরুরি ওষুধ, ইঞ্জেকশন, স্যালাইন, আর কী?

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুণমান নিয়ে ফের উঠল বড়সড় প্রশ্ন। সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গুণমান পরীক্ষায় (Quality Check) ফেল করেছে গজ, তুলো, সূচ, ক্যাথিটার সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিপুল সংখ্যক ওষুধ (Medicine)। চলতি মাসে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, মোট ১৯৮টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ওষুধ, ক্যাপসুল, ইনজেকশন, স্যালাইন এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। সংশ্লিষ্ট সমস্ত ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে ওষুধ বিক্রেতা, হোলসেলার এবং হাসপাতালগুলিকে জানানো হয়েছে যে, যদি কারও কাছে এই ওষুধ বা সরঞ্জামের মজুত থাকে, তা যেন অবিলম্বে বাজার থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। কোনওভাবেই এগুলির কেনাবেচা বা ব্যবহার করা যাবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: সপ্তাহের শুরুতেই বড়সড় ধস শেয়ার বাজারে! ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

রিপোর্ট অনুযায়ী, চিকিৎসা সরঞ্জামের তালিকায় বেশ কিছু গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়েছে। হিমাচল প্রদেশের একটি সংস্থার তৈরি তুলো কলকাতার কেন্দ্রীয় ড্রাগ ল্যাবে পরীক্ষায় ফেল করেছে। গুয়াহাটির ল্যাবে হরিয়ানার সংস্থার তৈরি বেলুন ক্যাথিটার ব্যাকটেরিয়াল এন্ডোটক্সিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফরিদাবাদের একটি সংস্থার তৈরি হাইপোডারমিক সূচ স্টেরিলিটি টেস্টে ফেল করেছে, আবার অন্য একটি সূচ ‘ক্লিনলিনেস’ পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে তিরুবনন্তপুরমের ল্যাবে। একইভাবে, কেরলের ল্যাবেও আরেক সংস্থার তৈরি তুলোর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ওষুধের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি সমান উদ্বেগজনক। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত টেলমিসার্টন-এর ১৯টি ভিন্ন ব্র্যান্ড গুণমান পরীক্ষায় ফেল করেছে। পাশাপাশি ২১ ধরনের প্যারাসিটামল এবং তার বিভিন্ন কম্বিনেশনও মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয়নি। এছাড়া বিভিন্ন সংস্থার তৈরি রিঙ্গার ল্যাক্টেট ও সাধারণ স্যালাইনও পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে অন্তত ২০ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট ও ইনজেকশনের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন। তালিকায় রয়েছে অ্যাজিথ্রোমাইসিন, অ্যামোক্সিসিলিন, ডক্সিসাইক্লিন-এর মতো বহুল ব্যবহৃত ওষুধ। গুরুতর সংক্রমণ ও সেপসিস প্রতিরোধে ব্যবহৃত জেনটামাইসিন এবং মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অ্যামিকাসিন ইনজেকশনও এই তালিকায় রয়েছে।

দেখুন আরও খবর:

Latest News

CSK-কে হারিয়ে প্রথম জয় পাবে KKR? মেগা-ম্যাচের আগে কীভাবে ছক কষছে নাইটরা?

ওয়েব ডেস্ক: আইপিএল-এর (IPL 2026) শুরুটা একেবারেই সুখকর হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) জন্য। এখনও পর্যন্ত জয়ের...

More Articles Like This