‘এসআইআর একটি বড় দুর্নীতি’, নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ মমতার

0
36

ওয়েবডেস্ক-   ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026)  উত্তাপ বাড়ছে। জেলায় জেলায় শহর থেকে গ্রাম গঞ্জে সর্বত্র ভোটের উন্মাদনা। দাপিয়ে প্রচার করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । আজ কেশিয়াড়ি (Keshiari)  থেকে ফের বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে একযোগে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী। ইভিএম কারচুপি থেকে ভোটার তালিকায় জালিয়াতির একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।

ইভিএম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোটের দিন মেশিন খারাপ করে দেবে।  ওই মেশিনে ভোট হবে না, চিপ ঢুকিয়ে দেবে। পরে আবার নতুন মেশিন আনবে। বিজেপির চালাকি হচ্ছে, এলাকায় এলাকায় ভোটাদের আটকে দেওয়ার চেষ্টা। এই পুরোটাই সিপিএমের ভোটিং প্ল্যান। আমাদের কাছে খবর আছে বাংলার মানুষের নামের জায়গায় অন্য নাম পেস্ট করে।”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য এসআইআর হল একটি বড় দুর্নীতি। বিজেপি বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের বাধা দেওয়ার ছক কষছে। বাংলার ভোটারদের নামের জায়গায় বিহার ও উত্তরপ্রদেশ বাসিন্দাদের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনের জয়লাভের জন্য যেকোনও সীমা অতিক্রম করতে পারে। আমার মনোনয়ন বাতিল করা চেষ্টা করেছিল, মিথ্যা মনোনয়ন দিয়ে বাতিলের চেষ্টা। বিজেপিকে বেলাইন করার জন্য যা যা করার করব। বিজেপি মানে সব ধর্মের সর্বনাশ। মুখ্যমন্ত্রী জঙ্গলমহল ও আধিবাসী সম্প্রদায়ের বিজেপির উদাসীনতার প্রতি কটাক্ষ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কতবার এখানে এসেছেন বড় বিজেপির নেতারা? কতবার আদিবাসীদের উৎসবে এসেছে? আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে প্রতিবার আমি এসেছি। মনে রাখবেন জঙ্গলের অধিকার আদিবাসীদের ফিরিয়ে দিয়েছি।

আরও পড়ুন- মতুয়াদের নিয়ে বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আমরা আইন করে বলেছি জোর করে আদিবাসীদের জমি দখল করা যাবে না। সাধারণ মানুষের জমিও কেউ জোর করে দখল করতে পারবে না। আগে একটা সময় ছিল যখন জঙ্গলমহলে মানুষ রাস্তায় বের হতে পারত না। খেতে পারত না। রাস্তা ছিল না। স্কুল ছিল না। আজ কিন্তু আমূল পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু এই পরিবর্তন  সেন্ট্রাল গভর্মেন্টের দয়ায় আসেনি।

দিল্লির সরকারকে নিশানা করে তিনি বলেন, আমাদের বাংলা টার্গেট করেছে দিল্লি। আমাদের টার্গেট দিল্লি। আমরা কথা দিলে কাজ করি। ওরা করে না, ওরা শুধু বুলডোজার চালায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, বিজেপির মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। আমরা চাই ফ্রি অ্যান্ড ইলেকশন’। দলীয় কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের তিনি সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ইভিএমগুলো ঠিকমতো পরীক্ষা করা হয়। অসমে ৫০ হাজার বহিরাগত মানুষ ভোট দিয়েছে, বলে বিস্ফোরক দাবি করেন মমতা। বাংলার মানুষকে ভোটের দিন কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেন তিনি। বহিরাগতদের আনাগোনা ও ইভিএম-এর উপর কড়া নজর রাখার বার্তা দেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here