ওয়েবডেস্ক- চূড়ান্ত ভাবে বাদ দেওয়ার আগে আবেদনকারীদের বক্তব্য বলার সুযোগ (Opportunity for applicants to speak) দিতে হবে। বিচারের মূল শর্ত মেনে তাদের ন্যাচারাল জাস্টিস পাওয়ার সুযোগ দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায়ের এই অংশ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিচার বিভাগের অফিসারদের আশঙ্কা, নাম বাদ পড়াদের সবাইকে বক্তব্য বলার সুযোগ দিতে হলে, এই শুনানি ভোটের আগে শেষ হওয়ার কার্যত কোনও সম্ভাবনা নেই।
তার উপরে ৬০ লক্ষের মধ্যে যদি ২০ থেকে ২৫ লক্ষ নাম বিচারকদের বিচারে বাদ যায়, তবে সেই সংখ্যার আবেদনকারীর স্বশরীরে হাজিরা নিশ্চিত করা হলে জোকায় কেন্দ্রীয় সরকারি অফিসের সামনে কি অবস্থা হতে পারে তাই নিয়ে শঙ্কিত বিচার বিভাগ। এমন কি অভিজ্ঞ পুলিশ অফিসাররা ওই এলাকায় আইন শৃঙ্খলার সমস্যার আশঙ্কাও করছেন। আইনজ্ঞ মহলের একাংশ মনে করছেন সুপ্রিম কোর্ট শুনানিতে নতুন নথি জমা দেওয়ার কথা বলেছিল।
আরও পড়ুন- কালিয়াচকের নিয়ে রাজ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, মুখ্যসচিব-জেলাশাসক-ডিজিকে শোকজ
কিন্তু রায়ে বক্তব্য বলার সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ গোটা পদ্ধতিতেই দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগ করে দিল। ফলে ট্রাইব্যুনালে বিচারপতিদের জেলা প্রশাসকদের মতো নথি দেখেই বিচার করার কথা। যে ভাবে এতদিন জেলা বিচারকরা করছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের এই নতুন নির্দেশে ট্রাইব্যুনালের কাজের পদ্ধতি বদল করতে হবে বলে মনে করছেন অফিসাররা।
১ এপ্রিল ২০২৬-এর শুনানির পর, আদালত স্পষ্ট করেছে যে এই ট্রাইব্যুনালগুলি কাজ শুরু করবে এবং ভোটাররা তাদের নামের অন্তর্ভুক্তিকরণ বা বর্জনের বিষয়ে সেখানে আপিল করতে পারবেন। ভোট দেওয়ার অধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই নাম বাদের আগে সঠিক যাচাই প্রয়োজন।

