Fourth Pillar | বিজেপির ‘সুনার বাংলা’ ১০০ শতাংশ ঢপবাজি

0
30

এখনও বিজেপির ম্যানিফেস্টো, থুক্কুড়ি ‘সংকল্প পত্র’ জারিই হয়নি। কিন্তু তার আগে এক চার্জশিট এনে হাজির করেছেন, আর জানিয়েছেন ওনারা ‘সুনার বাংলা’ গড়ে তুলতে চান। অমিত শাহ বাংলায় এসে সরকারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন, সেই হিন্দি সিনেমার পাঁড় মাতাল থানার ওসির মতো এক চার্জশিট, যার ছত্রে-ছত্রে মিথ্যে আর বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা। এর মানে কিন্তু এরকম নয় যে, গত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকার যা করেছে সব ঠিক, সব ভালো, কোনও ভুল নেই, পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি নেই, অব্যবস্থা নেই, না, সেরকম যারা বলবে তারাও আরেক পেঁচো মাতাল। কিন্তু নির্বাচনের আগে বিজেপি চার্জশিট দিচ্ছে ১৫ বছরের সরকারের কাজের প্রেক্ষিতে, সেখানে সামান্যতম সততা নেই, কোনও তথ্য নেই, সবটাই বানানো এক রাজনৈতিক প্রচার, সেটাই হল কথা। এবং যে কোনও অভিযোগের আগেই প্রশ্নটা তো উঠবেই যে, অভিযোগটা করছে কে? একজন পকেটমার যদি বাসে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে লেকচার দেয়, একজন মাতাল লম্পট যদি চরিত্রের শুদ্ধি নিয়ে বক্তৃতা করে, তাহলে তো সেই বক্তব্য ধোপে টেকে না। আসুন আজ সেই চার্জশিটের মাত্র দু’টো বিষয় নিয়ে কথা বলা যাক, বুঝতে পারবেন যে কতটা মিথ্যে দিয়ে তৈরি এই চার্জশিট।

ধরুন এই চার্জশিট যা নাকি অমিত শাহ পেশ করলেন, তাতে লেখা আছে, ‘ক্ষুদিরামকে সন্ত্রাসবাদী বলেছে এই সরকার, একজন দেশপ্রেমিককে অপমান করেছে এই সরকার’। শুনলে ঘোড়ায় হাঁসার কথা, কিন্তু সেই সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোড়া তো ছিল না। হ্যাঁ, এটা ঘটনা ব্রিটিশরা সেই আমলে ‘সন্ত্রাসবাদ’ কথাটা ব্যবহার করেছিল, ‘টেররিস্ট’ কথাটা ব্যবহার করেছিল, সেই কথার ব্যবহার বহু ইতিহাস বইতে আছে, এটা এক ধরণের ভুল শব্দের ব্যবহার, এ নিয়ে বিতর্ক বিভিন্ন রাজ্যে, বিভিন্ন সময়ে হয়েছে, আমাদের দেশেই হয়েছে। কিন্তু বিজেপি? আরএসএস–বিজেপি দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ে জ্ঞান দেবে? যারা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বিশ্বাসঘাতকের ভূমিকাতে ছিল, তারা জ্ঞান দেবে দেশপ্রেমের? মাত্র ক’দিন আগে উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরে কাকোরি ষড়যন্ত্রের তিন নায়ক- আসফাকুল্লা খান, রাম প্রসাদ বিসমিল, রোশন সিংয়ের মূর্তি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, এই ২২ শে মার্চ। সেই বিজেপি বাংলাতে এসে দেশপ্রেমের কথা বলছে। যে আন্দসামানের জেলে ৬০ শতাংশ কয়েদি ছিল বাংলার বিপ্লবীরা, সেই জেলের নাম ব্রিটিশের কাছে দাসখত লিখে মুচলেকা দিয়ে যে দেশদ্রোহী ছাড়া পেল, সেই সাভারকারের নামে করা হয়েছে, সেই আন্দামানের সেলুলার জেলের সামনে উল্লাসকরের মুর্তি নেই, শচীন সান্যালের মূর্তি নেই, আছে বিশ্বাসঘাতক সাভারকারের মুর্তি, সেই বিজেপি ক্ষুদিরামকে কেন ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলা হয়েছে বলে প্রশ্ন তুলছে? একটা গোটা পাতা বরাদ্দ হয়েছে জনবিন্যাসের পরিবর্তন নিয়ে, সেখানে ২৯ নম্বর পাতায় লেখা হয়েছে, ২০০১ থেকে ২০১১-র মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যায় হিন্দু জনসংখ্যার তুলনায় ১০২ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে, আর সেটা কেন হয়েছে? সেটা নাকি তৃণমূলের খোলা সীমান্ত নীতির জন্য হয়েছে। কতটা নিম্নমানের নেশা করলে এ ধরণের কথা বলা যায়? ২০০১ থেকে ২০১১-তে খোলা সীমান্তের নীতির জন্য দায়ি তৃণমূল? যারা ক্ষমতাতেই এসেছে ২০১১-তে? মানে কুছ ভি? তার পর এই তথ্য কোথাকার? কোন সোর্স থেকে এই তথ্য পাওয়া গেল? মিথ্যে, ডাহা মিথ্যে বলছেন ওই একদা তাড়িপার অমিত শাহ। সত্যিটা কী? অঙ্কের খাতায় আসল সত্যটা কী?

জনসংখ্যার বৃদ্ধি নিয়ে রাজনৈতিক দাবির সত্যতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হল সরকারি জনগণনার তথ্য বিশ্লেষণ করা। কোন সরকার? নিশ্চয়ই করে ইউনিয়ন গভর্নমেন্ট, দিল্লির সরকার, যাকে আমরা ভুল করে কেন্দ্রীয় সরকার বলি, সেই সরকারের তথ্য কী বলছে? আমরা ভারতের শেষ তিনটে জনগণনা (১৯৯১, ২০০১ এবং ২০১১) থেকে পাওয়া তথ্যকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ আর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোর জনসংখ্যার বৃদ্ধির হারের এক তুলনামূলক চিত্র যদি দেখি, তাহলে সেই ছবি থেকে আমরা জানতে পারব, যদিও রাজনৈতিক বক্তৃতায় প্রায়শই দাবি করা হয় যে, পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার বৃদ্ধি অস্বাভাবিক, যা অনুপ্রবেশের ফলেই হু হু করে বাড়ছে। কিন্তু জনগণনার তথ্য সম্পূর্ণ আলাদা একটা ছবি তুলে ধরে। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ছিল ১৭.৭৭ শতাংশ, যা পরবর্তী দশকে (২০০১-২০১১) ব্যাপক হারে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৩.৯৩ শতাংশে। আবার এই হারকে যদি অন্যান্য বড় রাজ্যগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে দেখা যাবে যে, পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তথাকথিত ‘অনুপ্রবেশ-মুক্ত’ রাজ্যগুলোর তুলনায় অনেক অনেক কম। যেমন, ২০০১-২০১১ দশকে বিহারের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২৫.০৭ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশের ২০.০৯ শতাংশ এবং মধ্যপ্রদেশের ২০.৩০ শতাংশ। এমনকি, সারা ভারতের গড় বৃদ্ধির হারও ছিল ১৭.৬ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গের বৃদ্ধির হার জাতীয় গড়ের চেয়েও অনেক নিচে। এই তাড়িপাড়ের মাথায় প্রশ্ন জাগে না, জাগবে না, কিন্তু সাধারণ জ্ঞান বুদ্ধি থাকলেই তো প্রশ্ন জাগবেই, যদি অনুপ্রবেশই পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা বৃদ্ধির মূল কারণ হত, তাহলে এই রাজ্যের বৃদ্ধির হার বিহার বা উত্তরপ্রদেশের চেয়ে বেশি হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু জনগণনার তথ্য বলছে ঠিক উল্টো কথা। পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসার এই প্রবণতা এক স্বাভাবিক জনমিতিক পরিবর্তনের ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে জন্মহার কমে আসছে। এর থেকে এই সিদ্ধান্তে আসা যায় যে, অনুপ্রবেশের নামে যে ‘হইচই’ করা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তিই নেই। সবটাই শেয়ালের হুক্কা হুয়া। রাজনৈতিক নেতারা এক আদত মানবিক সংকটকে নিজেদের রাজনীতির রুটি সেঁকার জন্যই ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে মানুষের মধ্যে এক রোহিঙ্গা আতঙ্ক অনুপ্রবেশ আতঙ্ক, ঘুসপেটিয়া আতঙ্ক তৈরি করছেন।

আরও পড়ুন: Fourth Pillar | ফেঁসেছেন ট্রাম্প, ফেঁসেছেন মোদিজি

যদি সত্যিই কোটি কোটি মানুষ ভারতে প্রবেশ করে থাকে, তার প্রাথমিক এবং সবচেয়ে স্পষ্ট প্রভাব পড়ার কথা সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু জনগণনার তথ্য এক ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বাংলাভাষী-অধ্যুষিত রাজ্যগুলির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশ কম। ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির জাতীয় গড় ছিল ১৭.৭ শতাংশ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১৩.৮ শতাংশ, অসমে এই সংখ্যাটা ছিল ১৭.১ শতাংশ, আর ত্রিপুরায় ১৪.৮ শতাংশ। মিথ্যেবাদী মোদি-শাহের তত্ত্ব সত্যি হলে এই রাজ্যগুলির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার জাতীয় গড়ের থেকে অনেক বেশি হত। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বিশাল সংখ্যায় অবৈধ অনুপ্রবেশের প্রমাণ পাওয়া যেত, যা নেই। বাস্তবে চিত্রটা ঠিক উল্টো— ভারতে বাংলাভাষী মানুষের অনুপাত মোটের উপরে কমছে। ১৯৯১, ২০০১ এবং ২০১১ সালের জনগণনা স্পষ্ট ভাবে দেখায় যে, এই সময়কালে ভারতে বাংলাভাষীদের আনুপাতিক হার কমেছে। ১৯৯১ সালে এই হার ছিল ৮.৩ শতাংশ, যা ২০০১ সালে কমে প্রায় ৮.১১ শতাংশ এবং ২০১১ সালে আরও কমে ৮.০৩ শতাংশের সামান্য উপরে এসে দাঁড়ায়। এই কমাটাই অনুপ্রবেশের দাবির উল্টোদিকের ছবিটাই তুলে ধরে, কারণ বিরাট সংখ্যায় বাংলাভাষীরা ঢুকে এলে মোট জনসংখ্যায় তাদের অনুপাত কমার বদলে বাড়ার কথা। রাজ্যওয়াড়ি পরিসংখ্যান দেখলেও এই তত্ত্ব ধোপে টেকে না। দিল্লি, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ বা গুজরাতের মতো রাজ্য, যেখান থেকে ‘বাংলাদেশি’ বিতাড়নের খবর প্রায়শই শোনা যায়, সেখানে সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বাংলাভাষী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের চেয়ে অনেক বেশি। মহারাষ্ট্র (০.০৭ শতাংশ), কর্নাটক (০.০৬ শতাংশ) বা হরিয়ানার (০.০৯ শতাংশ) মতো হাতেগোনা কয়েকটা রাজ্যে বাংলাভাষীর সংখ্যা সামান্য বাড়লেও, সেই বৃদ্ধি পশ্চিমবঙ্গ থেকে স্বাভাবিক পরিযায়ী শ্রমিকের এর জন্যই হয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গের আধার, ভোটার বা রেশন কার্ডের সংখ্যাও কিন্তু  রাজ্যের জনসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, ভারতের মোট জনসংখ্যায় পশ্চিমবঙ্গের অংশ ছিল ৭.৫৫ শতাংশ। এর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, বিভিন্ন সরকারি কার্ডের আনুপাতিক হারও এর খুব কাছাকাছি। যেমন, কেন্দ্রীয় সরকারের ইউআইডিএআই-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত রাজ্যের আধার কার্ডধারী মানুষের সংখ্যা দেশের মোট আধারধারী মানুষের ৭.৪১ শতাংশ। একইভাবে, কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের ২০২৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তারিখে সংসদে পেশ করা তথ্য অনুসারে, জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের অধীনে পশ্চিমবঙ্গের রেশন কার্ডের সংখ্যা গোটা ভারতের ৭.৪৬ শতাংশ। আবার, ২০২৪ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী রাজ্যের ভোটার সংখ্যা দেশের মোট ভোটারের ৭.৭৭ শতাংশ। আসলে এই অনুপ্রবেশের তত্ত্বটা এক দুর্দান্ত রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অনুপ্রবেশের সমস্যাকে তুলে ধরে এক কৃত্রিম ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে, যা ভোটের রাজনীতিতে কাজে লাগানো যায়, বলা যায় যে, ‘হিন্দু খতরে মে হ্যায়’, ‘দেশ খতরে মে হ্যায়’।

এই পুরো বিশ্লেষণ থেকে কয়েকটা বিষয় জলের মতো পরিষ্কার। প্রথমত, জনগণনার তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার স্বাভাবিক, যা জাতীয় গড়ের চেয়েও কম এবং বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোর চেয়ে অনেক নিচে। দ্বিতীয়ত, অনুপ্রবেশের কারণগুলো খুবই জটিল এবং তার নানান মাত্রা আছে। দারিদ্র্য, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তৈরি প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোই এর প্রধান কারণ। এটা কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নয়, বরং একটা মানবিক ও পরিবেশগত সংকট। তৃতীয়ত, ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও রাজনৈতিক দাবির মতো আশঙ্কাজনক নয়। মুসলিমদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসছে এবং ভবিষ্যতে এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হবে। তাই, ‘জনবিন্যাস বদলে যাবে’ বা ‘হিন্দুদের সংখ্যা কমে যাবে’ – এই ধরনের দাবিগুলোও সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও ভুল। অনুপ্রবেশকারীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দরিদ্র এবং বাস্তুচ্যুত মানুষ, যাঁরা নিছক বেঁচে থাকার তাগিদে সীমান্ত পার করে। তাঁদের এই অসহায়তাকে রাজনৈতিক খেলার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা কোনও সুস্থ সমাজের লক্ষণ নয়। যদি হাতে পান, তাহলে দেখবে বিজেপির দেওয়া এই চার্জশিটে সবথেকে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে এই ‘ঘুসপেটিয়া’ কথাটা, ‘অনুপ্রবেশকারী’। মজার কথা হল, ক’দিন আগে বিহারেও এই মোদি–শাহের বক্তৃতাতে ছিল এই ঘুসপেটিয়া ইস্যু, কিন্তু সংসদে যখন প্রশ্ন করা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে এই অনুপ্রবেশকারী হিসেবে কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে? এই একদা তাড়িপার অমিত শাহের দফতর জানিয়েছে ২৬৮৮ জন। হ্যাঁ, এটাই সেই সংখ্যা যা দিয়ে ওনারা দাবি করছেন, ডেমোগ্রাফি বদলে দেওয়া হচ্ছে। আসলে এক কল্পিত শত্রু খাড়া করে হিন্দু মুসলমান বিদ্বেষ ছড়ানোই এদের কাজ, সেই ১৯২৫ থেকে এরা এই কাজই করে চলেছে। আসলে কথায় আছে শয়তান বিচারকের আসর আসলে হয়ে ওঠে সার্কাস, ঠিক তাই হয়েছে। যাঁরা চার্জশিট দিয়েছে তাঁরা আসলে বাংলার মানুষের সমর্থন চাইতে আসেনি, বর্গি-লুঠেরাদের মতো দখল করতে এসেছে, দখলদারের চার্জশিটে ছত্রে ছত্রে মিথ্যে বাংলার মানুষ বিশ্বাস করবে না।

দেখুন আরও খবর:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here