রেল সূত্রে খবর, রবিবার ভোর প্রায় সওয়া ৫টা নাগাদ কোটা রেল ডিভিশনের অন্তর্গত লুনি এবং আলট স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় প্রথম ধোঁয়া দেখতে পান ট্রেনের গার্ড। সঙ্গে সঙ্গে লোকো পাইলটকে সতর্ক করা হয়। এরপর ট্রেন থামিয়ে দ্রুত যাত্রীদের নামিয়ে আনা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, প্রথমে বি-১ কোচে আগুন লাগে। পরে সেই আগুন পাশের আরও একটি কামরায় ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: নিট প্রশ্নফাঁস মামলায় গ্রেফতার বায়োলজির লেকচারার
বি-১ কোচে তখন ৬৮ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের সকলকেই নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আগুনে দু’টি কামরাই কার্যত পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সময়মতো ধোঁয়া নজরে না এলে ভয়াবহ প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।
অগ্নিকাণ্ডের পরই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রেলের ওভারহেড বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। কোটা রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক রবীন্দ্র লাকড়া জানিয়েছেন, যাত্রীদের নিরাপত্তাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আগুন যাতে অন্য কামরায় না ছড়ায়, সে জন্য ক্ষতিগ্রস্ত দু’টি কোচ দ্রুত ট্রেন থেকে আলাদা করা হয়।
পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত কামরার যাত্রীদের অন্য কোচে স্থানান্তর করা হয়েছে। ট্রেনটিকে কোটা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে অতিরিক্ত কামরা জুড়ে ফের দিল্লির উদ্দেশে রওনা করানো হবে ট্রেনটিকে। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।