ওয়েবডেস্ক- যুদ্ধ! যুদ্ধ! শুধু চারিদিকে বারুদের গন্ধ! মধ্যপ্রাচ্যের (Middle East) যুদ্ধ আরও সাংঘাতিক হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ ইতিমধ্যেই লেবাননে বোমা বর্ষণ শুরু করেছে ইজরায়েল। ফলে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা করেছে ইরান। এর মাঝেই ফের আমেরিকার (America) রাতের ঘুম কাড়ল উত্তর কোরিয়া। ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic missile) উৎক্ষেপণ করেছে। আমেরিকার ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখা এই ঘটনাটি নিয়ে কোরীয় উপদ্বীপে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর (JCS) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া এদিন দুই দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৮:৫০ পূর্ব উপকূলের ওনসান (Wonsan) এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি স্বল্প-পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যা প্রায় ২৪০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সমুদ্রে পড়ে। ফের একটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় যা প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে পড়ে ।
আরও পড়ুন- লেবাননে ইজরায়েলের বর্বর বোমাবর্ষণের জের! হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করল ইরান
গত মাসেই আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়া তাদের বড় মাপের যৌথ সামরিক মহড়া ‘ফ্রিডম শিল্ড’ শেষ করেছে। উত্তর কোরিয়া বরাবরই এই মহড়াকে তাদের দেশে হামলার প্রস্তুতি হিসেবে দেখে আসছে। এই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়া উচ্চ সতর্কতা (High Alert) জারি করেছে এবং জরুরি ভিত্তিতে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (NSC) বৈঠক ডেকেছে। জাপানও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করছে তা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব লঙ্ঘন করা হচ্ছে। উত্তর কোরিয়াকে এই ধরনের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এটি ছিল ২০২৬ সালের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার (North Korea) পঞ্চম নিশ্চিত ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এর ঠিক আগের দিন গত ৭ এপ্রিল উত্তর কোরিয়া একটি অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যা উৎক্ষেপণের পর পর ব্যর্থ হয় বলে অনুমান।

