ওয়েব ডেস্ক: রোহিত শর্মা সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছেন, কিন্তু কে এল রাহুল তা করেননি। মুলানপুরে ৮০ বলে শতরান পূর্ণ করলেন স্টাইলিশ ডানহাতি ব্যাটার। তাও আবার এদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার জেডন সিলসকে হুক করে ছয় মেরে। অন্যদিক থেকে উইকেট পড়তে থাকলেও রাহুল ইনিংসের শেষ পর্যন্ত থেকে গেলেন। করলেন ৮৭ বলে অপরাজিত ১২৯। ওডিআই ক্রিকেটে এটাই তাঁর সর্বোচ্চ রান। আগের দুই ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পাননি, এদিন সুদে আসলে পুষিয়ে নিলেন রাহুল।
রাহুলের দুরন্ত ইনিংস এবং রোহিতের ৯২ রানের সৌজন্যে ৩৫১ করল ভারত। ৫৭ রান করে অবদান রেখেছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ও। প্রথম ১০ ওভারে ২৮ থেকে সাড়ে তিনশো পার করার জন্য মিডল অর্ডারকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সবথেকে ভালো বল করেছেন জেডন সিলস। ১০ ওভারে ৬২ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। শেষের দুটো ওভারে রাহুলের কাছে মার না খেলে বোলিং ফিগার আরও ভালো হত।
আরও পড়ুন: মেয়েদের সমান ছেলেরাও! এশিয়ান গেমস হকিতে চ্যাম্পিয়ন ভারত
এদিন টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক শুভমান গিল। গুয়াহাটিতে ছিল পাটা পিচ, কিন্তু মুলানপুরের উইকেটে সিম মুভমেন্ট হচ্ছিল। জেডন সিলসের বলে ১ রান করে কট বিহাইন্ড হলেন গিল। বিরাট কোহলি এলেন এবং প্রথম বলেই বোল্ড। সিলসের বল পিচে পড়ে ভিতরে ঢুকল এবং কোহলির ব্যাট আর প্যাডের ফাঁক গলে স্টাম্প উড়িয়ে দিল। মাত্র চার রানে দুই উইকেট হারিয়ে ভারত তখন বেকায়দায়।
ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে নিয়ে পার্টনারশিপ গড়লেন রোহিত। দুজনেই দেখেশুনে খেলছিলেন, যা সে সময় দরকার ছিল। পরের দিকে রানের গতি বাড়ান হিটম্যান। তবে নব্বইয়ের ঘরে পৌঁছে আর একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে পারতেন তিনি। ওডিআইতে এ নিয়ে ছ’বার নব্বইয়ের ঘরে উইকেট দিলেন রোহিত। ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে ব্যাট করতে এসে সেঞ্চুরি করে ফিরলেন রাহুল।
