ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে ভারতকে কড়া বার্তা আমেরিকার, ‘নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সাহায্য করলে পদক্ষেপ’

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : ইরানের (Iarn) সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার ক্ষেত্রে ভারতকে (India) সতর্ক করল আমেরিকা (America)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বৈঠকের কয়েক দিনের মধ্যেই কড়া বার্তা দিলেন মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও (Marco Rubio)। তাঁর বক্তব্য, কোনও দেশ যদি ইরানকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সাহায্য করে কিংবা তেহরানের রাজস্ব বাড়ানোর ব্যবস্থা করে, তাহলে সেই দেশের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে ওয়াশিংটন।

এক সাক্ষাৎকারে মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে পেজেশকিয়ানের (Masoud Pezeshkian) বৈঠক এবং ভারত-ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য নতুন বাণিজ্যিক সমঝোতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় রুবিওকে। জবাবে তিনি বলেন, ভারত ও ইরানের মধ্যে কোনও বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না। একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিজেদের বিদেশনীতি নির্ধারণ এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার অধিকার রয়েছে।

তবে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে মার্কিন অবস্থান যে কঠোর, তা স্পষ্ট করে দেন রুবিও। তাঁর দাবি, ইরানকে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সাহায্য করা কিংবা এমন কোনও ব্যবস্থা তৈরি করে দেওয়া উচিত নয়, যার মাধ্যমে তেহরান অর্থ উপার্জন করতে পারে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, সেই অর্থ সন্ত্রাসবাদে মদত এবং পরমাণু অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করা হতে পারে। রুবিও সতর্ক করে বলেন, কোনও দেশ এমন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হলে আমেরিকা তাদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে।

আরও খবর : বিশ্বজুড়ে ৩৩০০ কর্মী ছাঁটাই উবের, পুনর্গঠনের পথে সংস্থা!

এর আগে ৩১ আগস্ট সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সম্মেলনের ফাঁকে কিরগিজস্তানের বিশকেকে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। ভারত-ইরান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পণ্যবাণিজ্যের পরিধি বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হয় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এবং বাণিজ্যিক জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।

বৈঠকের পর মোদি জানান, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত-ইরানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে ইরানকে ঘিরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার পথে হাঁটছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এর আগে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে নতুন অর্থনৈতিক অভিযানের কথা ঘোষণা করেছেন। ফলে একদিকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখাই এখন নয়াদিল্লির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

Latest News

পুজোর মুখে বাড়তে চলেছে মদের দাম!

ওয়েব ডেস্ক : দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) মরশুম শুরু হওয়ার আগেই রাজ্যে মদের দামের (Liquor Price) দাম বদলাতে চলেছে।...

More Articles Like This