ওয়েব ডেস্ক : জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) উধমপুরে নিরাপত্তাবাহিনীর রাতভর অভিযানে মৃত্যু হল দুই জঙ্গির। বুধবার গভীর রাতে মাজালতা এলাকার প্রত্যন্ত জঙ্গলঘেরা ব্রাতেল সোয়ান ও খুব্বান এলাকায় অভিযান শুরু হয়। সেনা, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী সন্দেহভাজন জঙ্গিদের গতিবিধির খবর পেয়ে রাত প্রায় ৯টা নাগাদ তল্লাশি শুরু করে। পরে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের (Terrorists) গুলির লড়াই শুরু হয়। সংঘর্ষে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন। নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
অভিযানের সময় জঙ্গিদের সম্ভাব্য গোপন ঘাঁটি লক্ষ্য করে নিরাপত্তাবাহিনী গুলি চালায় বলে সূত্রের খবর। জঙ্গলের ভিতর থেকে গুলির শব্দ এবং বিস্ফোরণের আওয়াজও শোনা যায়। জম্মু-কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল সেনার সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযান চালায়। সংঘর্ষের পর এলাকায় তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে। কোনও জঙ্গি এখনও ওই এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে জঙ্গলের বিস্তীর্ণ অংশে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
আরও খবর : ভাইয়ের জন্মদিনে গিয়েছিলেন স্ত্রী, আর ফেরেননি! ৩৪ বছর পর বিবাহবিচ্ছেদে সিলমোহর হাইকোর্টের
এর আগে চলতি মাসেই জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) বদগামে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছিল পাকিস্তানি নাগরিক তথা লস্কর-ই-তইবার কমান্ডার ইয়াসির। অপারেশন আশদারের সময় বিশেষ বাহিনী এবং ৫৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের যৌথ দল তল্লাশি অভিযান চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, ইয়াসির লস্কর-ই-তইবার সঙ্গে যুক্ত ছিল। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বেশ কিছুদিন ধরে বডগামের ইউসমার্গ এলাকায় তার গতিবিধির উপর নজর রাখছিল।
সূত্রের খবর, ইয়াসির আগে সুলেমান মুসা গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রায় এক বছর আগে সেই গোষ্ঠী থেকে আলাদা হয়ে নিজস্বভাবে কাজ করছিল সে। আলাদা হওয়ার পর এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ লস্কর সদস্য হিসেবে সক্রিয় হয়ে উঠেছিল বলে নিরাপত্তা সংস্থাগুলির দাবি। উচ্চ পার্বত্য এলাকায় তার উপস্থিতির খবর পাওয়ার পরই অভিযান চালানো হয়।
