নোয়াপাড়া: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার মুখেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল নোয়াপাড়া (Noapara) বিধানসভা। উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল–বিজেপি সংঘর্ষে (Trinamool-BJP Clash Noapara) উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ওয়ার্ডের পুর মাতা সুপ্রিয়া দাস-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। সেখানে গিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী সঞ্জয় দাস-এর সঙ্গে তাঁর বচসা শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
ভোটদানের মাঝে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নোয়াপাড়া। ভোট চলাকালিন আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীসমর্থকরা। অর্জুন সিংয়ের অনুগামীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলে তৃণমূল। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ তুলেছে।
আরও পড়ুন: অ্যাম্বুল্যান্সে করে ভোট কেন্দ্রে সাংসদ মিতালি
জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেলের দিকে উত্তর ব্যারাকপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথে ব্যাপক ছাপ্পা ভোট চলছে বলে খবর পান বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। খবর পাওয়া মাত্রই অনুগামীদের নিয়ে সশরীরে ওই ওয়ার্ডে পৌঁছে যান অর্জুন। তিনি বুথে ঢোকা মাত্রই চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। দু’পক্ষের মধ্যে প্রথমে তীব্র বাদানুবাদ এবং পরে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই বুথে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সক্রিয় হন।পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের হাতে মার খেতে হয় তৃণমূলের বর্তমান কাউন্সিলর ও তাঁর স্বামীকে।এই ঘটনার পর নোয়াপাড়ার বিভিন্ন ওয়ার্ডে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এলাকায় ব্যাপক পুলিশ বাহিনী ও অতিরিক্ত আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
