নয়াদিল্লি: ‘১৫ বছর রাজ্যে থমকে উন্নয়ন’, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ‘সম্মান’ জানিয়েও শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) প্রশংসায় রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee)। মঙ্গলবার লোকসভার সচিব উৎপলকুমার সিংহের সঙ্গে দেখা করে নিজের এই অবস্থান স্পষ্ট করলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব ও বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। লোকসভার সচিবালয় থেকে বেরিয়ে তিনি জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে তাঁর পুরনো সম্পর্ক। তাঁকে সম্মান করেন তিনি। কিন্তু একথা সত্যি যে গত ১৫ বছর ধরে রাজ্যে উন্নয়ন থমকে ছিল।
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর তাঁর মুখে বারবার শোনা গিয়েছে উন্নয়নের কথা। এমনকী হুগলিতে এমন শিল্পোন্নয়ন দেখেছিলেন তিনি, যে চারিদিকে ধোঁয়া দেখেছিলেন তিনি। আর রাজ্যে পালাবদলের পর সেই রচনা বলছেন, গত ১৫ বছরে তো কোনও কাজ হতেই দেখেননি তিনি। এটা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য। তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ ২০ জন সাংসদদের মধ্যে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রয়েছেন। তাঁর সই আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। তবে গত রবিবার যখন বাকি সাংসদরা অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন, তখন বিদেশে ছিলেন রচনা। তাই বিদেশ থেকে ফিরে মঙ্গলবার প্রথমে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে ও পরে আর এক সাংসদ ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।সংসদীয় সূত্রের খবর, মঙ্গলবার লোকসভার সচিব উৎপলকুমার সিংয়ের সঙ্গে সশরীরে দেখা করে নিজের রাজনৈতিক ‘অবস্থান’ স্পষ্ট করেছেন এই তারকা সাংসদ। তাঁর কথায়, ‘‘দিদির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পুরনো সম্পর্ক। সেই আন্তরিক সম্পর্ক আগামী দিনেও অটুট থাকবে। অনেকেই বলেন, দিদি মানেই তৃণমূল— এটা একেবারেই ঠিক কথা। তাঁকে দেখেই আমজনতা ভোট দেন। কিন্তু হুগলির মানুষ আমায় ভোট দিয়েছেন স্রেফ আমি একজন চিত্রতারকা বলে নয়। তাঁরা আমায় ভোট দিয়েছেন এলাকার উন্নয়ন ও কাজ করার জন্য।বিগত ১৫ বছরে সেখানে কোনও কাজই হয়নি। আর সেই কাজ করতে গেলে কেন্দ্রের সমর্থন ও সহযোগিতা পাওয়া অত্যন্ত জরুরি।’’
আরও পড়ুন: বিধানসভায় সর্বদল বৈঠকে ডাক ঋতব্রতদের, দেখা মিলল না শোভনদেব-কুণালদের
রচনার কথায়,গত ১৫ বছর ধরে রাজ্যে উন্নয়ন থমকে ছিল। নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে জনগণ ও তাঁদের উন্নয়নের স্বার্থ তাঁকে দলের সংখ্যাগরিষ্ট সাংসদদের সঙ্গে ‘হাত মেলাতে’ হয়েছে। বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরও ভূঁয়সী প্রশংসা করেন রচনা (Rachana Banerjee)।তিনি জানান, রাজ্যে ১-২ মাসের মধ্যে উন্নয়নের গতি ফিরে এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এই কাজ হচ্ছে। রাজ্যবাসী এরকম উন্নয়ন গত কয়েকবছর ধরে দেখেননি। শুভেন্দু দেখিয়ে দিয়েছেন কীভাবে উন্নয়নের কাজ করতে হয়। রাজ্যে উন্নয়নের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। উন্নয়ন কীভাবে করতে হয় তা শুভেন্দু অধিকারী দেখিয়ে দিয়েছেন।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে রচনা জানান, “রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অনেক পুরনো সম্পর্ক। এই সম্পর্ক অটুট থাকবে। ওঁর প্রতি সম্মান অটুট থাকবে। তৃ
