উত্তর ২৪ পরগনা: ভাঙড়ের (Bhangar) কাঁঠালিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে কলেজ মোড় পর্যন্ত মাত্র এক কিলোমিটার রাস্তা। আর সেই অল্প দূরত্বের মধ্যেই মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক প্রাসাদোপম বাড়ি। কোনওটি একতলা, কোনওটি দু’তলা, আবার কোনওটি চারতলা। তবে সব ক’টির মধ্যেই সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে ‘লভ হাউস’ (Love House) নামে পরিচিত একটি বিলাসবহুল অট্টালিকা। এই সমস্ত বাড়ির মালিক স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতা তথা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মোদাচ্ছের হোসেন (Modachchher Hossain)।
বাড়িগুলির গায়ে ‘লভ’ চিহ্ন থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সেগুলি ‘লভ বাড়ি’ নামেই পরিচিত হয়ে উঠেছে। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, শুধু এই বহুতল বাড়িগুলিই নয়, রাস্তার ধারে কয়েক বিঘা জমিরও মালিক মোদাচ্ছের হোসেন। তাঁদের দাবি, এই সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকারও বেশি।
আরও পড়ুন: গোবর ছড়িয়ে ‘শুদ্ধিকরণ’, রেখা পাত্রকে সঙ্গে নিয়ে ব্যতিক্রমী বিজয় উৎসব বিজেপির
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজনীতিতে আসার আগে কাঁঠালিয়া বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি ভাড়ার দোকানে তেলের ব্যবসা করতেন তিনি। ২০০৫ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ২০০৮ সালে ভোগালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তাঁর আর্থিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলছে বিরোধীরা।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিরোধী দলগুলির প্রশ্ন, অল্প সময়ের মধ্যে কীভাবে এত বিপুল সম্পত্তির মালিক হলেন এক স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান? যদিও সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন মোদাচ্ছের হোসেন। তাঁর দাবি, বৈধ উপায়ে ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়েই তিনি বাড়ি ও সম্পত্তি তৈরি করেছেন। তবে ‘লভ হাউস’ ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় কৌতূহল যেমন বেড়েছে, তেমনই রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
দেখুন আরও খবর:
