28.6 C
Kolkata

NCPI-এর বর্তমান সভাপতি কে? বলতেই পারলেন না দলের প্রতিষ্ঠাতা

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: বাংলার রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম এনসিপিআই (NCPI)। তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) একাধিক বিদ্রোহী সাংসদের এই দলে যোগদানের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দলটিকে ঘিরে কৌতূহল ও জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে সামনে এল নতুন তথ্য। দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা শিউলি কুণ্ডু (Shweli Kundu) জানিয়েছেন, তিনি প্রায় এক মাস আগেই নাকি দলের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ফলে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করা সমীচীন হবে না বলেই জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিউলি কুণ্ডু বলেন, “পার্টির বর্তমান সভাপতি এই বিষয়ে কথা বলবেন। আমার কিছু বলা উচিত হবে না।” তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমানে দলের সঙ্গে তাঁর কোনও সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। তবে দলের বর্তমান সভাপতি কে, সেই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান শিউলি। বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে কি না, সেই বিষয়েও স্পষ্ট কিছু বলতে চাননি তিনি। ফলে এনসিপিআই-এর বর্তমান নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে ধোঁয়াশা আরও বেড়েছে।

আরও পড়ুন: ‘সংসদে বাংলার সবচেয়ে বড় দল আমরাই’! এনসিপিআই নামে তৈরি ফেসবুক পেজ

এদিকে দলের আর এক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শান্তনু দে জানিয়েছেন, তৃণমূলের ২০ জন সাংসদের এনসিপিআই-তে যোগদানের খবর তিনি মূলত সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। তাঁর দাবি, এখনও পর্যন্ত ওই সাংসদদের কারও সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ হয়নি। শান্তনু দে বলেন, “দলের নাম এনসিপিআই রাখার প্রস্তাব আমিই দিয়েছিলাম। রবিবার জানতে পারি তৃণমূলের কয়েকজন সাংসদ দলে যোগ দিয়েছেন। আশা করছি তাঁরা যোগাযোগ করবেন।” তিনি আরও জানান, দলের আর এক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য উত্তীয় কুণ্ডুও এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা করেননি। ফলে কারা, কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় দলে যোগ দিয়েছেন, তা নিয়ে তাঁর মধ্যেও সংশয় রয়েছে।

এদিকে হাওড়ায় অবস্থিত এনসিপিআই-এর নিবন্ধিত কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিউলি ও উত্তীয় কুণ্ডুর বড় মেয়ে দীপান্বিতা কুণ্ডু। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে ওই অফিস থেকেই দলের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও তিনি দলের প্রার্থী হিসেবে ঝোড়হাট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

দেখুন আরও খবর:

Latest News

পড়ুয়াদের কথা ভেবে বড় সিদ্ধান্ত, মর্নিং স্কুলে উপস্থিতির নিয়মে শিথিলতার অনুমতি সরকারের

ওয়েব ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল (FIFA World Cup 2026) ম্যাচকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গের মর্নিং স্কুলগুলির (Schools) জন্য বিশেষ...

More Articles Like This