কলকাতা: দলের অন্দরে ‘বিদ্রোহ’ বিতর্কের আবহে বড় সাংগঠনিক রদবদল করল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। শুক্রবার কালীঘাটে অনুষ্ঠিত জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। উল্লেখযোগ্যভাবে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে বহাল থাকছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তবে তাঁর সঙ্গে যুগ্ম জাতীয় সম্পাদক করা হয়েছে ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোনা সেনকে।
অন্যদিকে, দলের রাজ্য সভাপতির পদে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। তৃণমূলের নতুন রাজ্য সভাপতি হয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। এতদিন এই দায়িত্বে ছিলেন সুব্রত বক্সি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি শারীরিক কারণে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইছিলেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়াও দলের রাজ্য সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাজদা আহমেদ, মমতাবালা ঠাকুর এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন বাবর আলি, পুলক রায়, অসীমা পাত্র, অরূপ বিশ্বাস এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: ‘পচা ডিমের হাত থেকে বাঁচতেই রণে ভঙ্গ…,’ মেয়র ফিরহাদের ইস্তফা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক সজল ঘোষ
এছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কার্যকরী কমিটির এক্সিকিউটিভ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, রানা চট্টোপাধ্যায়, বিদেশ বোস, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, তাপস চট্টোপাধ্যায়, বসুন্ধরা গোস্বামী এবং গৌতম দেব। এছাড়া যুব তৃণমূলের সভাপতি হয়েছেন সায়নী ঘোষ এবং সাধারণ সম্পাদক মধুরিমা ঠাকুর। মহিলা তৃণমূলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মালা রায়। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কা অধিকারীকে।
এছাড়া শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-র সভাপতি হয়েছেন মলয় ঘটক। হকার সংগঠনের দায়িত্বে রয়েছেন মদন মিত্র। কৃষক সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বেচারাম মান্নাকে এবং খেত মজদুর সংগঠনের দায়িত্ব পেয়েছেন পুর্নেন্দু বসু। তফসিলি জাতি ও উপজাতি সংগঠনের দায়িত্বে থাকবেন বীরবাহা হাঁসদা। এছাড়া দলের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষ। দলের কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে শুভাশিস চক্রবর্তীকে।
দেখুন আরও খবর:
