কলকাতা: মনোনয়ন পেশ করলেন ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee nomination)। এদিন মিছিল করে গিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মূলত, ভবানীপুরে ভোট রয়েছে আগামী ২৯ এপ্রিল। তার জন্য মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় শেষ দিন ৯ এপ্রিল। তার জন্য বুধবার ৮ এপ্রিল মনোনয়ন জমা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বেরিয়েও ফের এসআইআর নিয়ে সরব মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি মনে দুঃখ নিয়ে করছি কারণ এত নাম বাদ গিয়েছে মানুষের।এই অবস্থায় ‘ডিলিটেড’ ভোটারদের পাশে দাঁড়িয়ে ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হবেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election 2026) পাখির চোখ করে রাজ্যজুড়ে ঝোড়ো প্রচার করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বুধবারও একাধিক জায়গায় প্রচার রয়েছে। তার আগে এদিন সকালে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পেশ করেন তৃণমূলনেত্রী। সার্ভে বিল্ডিংয়ে মনোনয়ন জমা দেন। ভবানীপুরের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা শিকার করেন বলেন। পাশাপাশি তিনি বার্তা দেন, “আমি ৩৬৫ দিনই এখানে থাকি। আমার ধর্ম-কর্ম সবই এখানে। এখানেই আছি, এখানেই থাকব। ভবানীপুরের মানুষদের আমার ধন্যবাদ।”এসআইআর নিয়ে এদিনও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। এই নিয়ে তিনি আবারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন বলে আভাস দিয়ে রাখলেন। মমতা বলেন, “এত নাম বাদ গিয়েছে। ১ কোটি ২০ লক্ষের মধ্যে ৩২ লক্ষের নাম উঠেছে। সেটাও আমার আদালতে কেস করার জন্য। বাকি ৫৮ লক্ষ খোলাই হয়নি। কিছু বাদ হতে পারে, যাঁরা ডুপ্লিকেট ভোটার কিংবা মৃত ভোটার। বাকি বিচারাধীন ২৭ লক্ষের কিছু বেশি বাকি রয়েছে, তাঁদের ভোটাধিকার দেওয়া উচিত বলে মনে করি। এটা সুপ্রিম কোর্টই বলেছিল।
আরও পড়ুন: মনোনয়ন জমা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
কিন্তু এরমধ্যেই তালিকা কেন ফ্রিজ করে দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলনেত্রী। আর এর বিরুদ্ধেই ফের একবার আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানান তিনি।মমতার কথায়, ‘ট্রাইবুনাল চলার সময়ে ভোটার তালিকায় ফ্রিজ করে দেওয়ার মানে কী? পরে নাম তুলে কী হবে। ভোটটা তো দিতেই পারবেন না। আমরা আবার আদালতে যাব, বিচার চাইব।” প্রসঙ্গত, বাংলায় এসআইআর নিয়ে ভোটের আগেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করেন।

