24.7 C
New York

রাজ্যের পুলিশকর্তা এবং আমলাকে অপসারণ! কমিশনের এক্তিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ কল্যাণের

Must Read

কলকাতা: রাজ্যের একের পর এক আইএস আইপিএস অফিসারদের অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন সংঘটিত করা। কিন্তু প্রশাসনে সমস্ত বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে স্থানান্তরের অধিকার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নেই। এতে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হয়। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করুক কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এই আবেদন নিয়ে মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। পাশাপাশি মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন।মামলা দায়েরের অনুমতি দিল প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ।আগামী সোমবার মামলার শুনানি।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026)নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে কমিশন রাজ্যের একাধিক আমলা ও পুলিশের শীর্ষকর্তাদের বদল করেছে।নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির আগেই রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, এডিজি, আইজি, ডিআইজি, জেলা শাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও ব্যাপক হারে বদলি করা হয়েছে। প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি অভিযোগ করেছেন, নজিরবিহীনভাবে বাংলাকে নিশানা করছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন যেভাবে বাংলাকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে, তা কেবল নজিরবিহীনই নয়—বরং তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) পক্ষপাতিত্ব করছে। রাজ্যের আধিকারিকদের বদলির নিয়ে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না।

আরও পড়ুন: আজ তৃণমূলের ইস্তেহার প্রকাশ, কী কী থাকবে? দেখুন বিগ আপডেট

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের অপসারণ করে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসাবে অন্য রাজ্যে পাঠানো নিয়ে কলকাতা হা‌ইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করতে চান তৃণমূলের আইনজীবী অর্ক নাগ।এই বিষয়টি হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কল্যাণের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের আইএএস, আইপিএস-দের অন্য রাজ্যে পাঠানোয় প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হয়। কমিশনের এই অপসারণের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা দায়ের করার অনুমতি চান কল্যাণ। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হবে।

Latest News

সংঘর্ষ রুখতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ন্যাজাট থানার ওসি

ওয়েব ডেস্ক: নির্বাচনের ফলঘোষণার পর থেকেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগ উঠেছে। দুই দলের সংঘর্ষ...

More Articles Like This