ওয়েবডেস্ক- নতুন সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি (BJP)। আগামী ৯ মে ব্রিগেডে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। ভবানীপুর আর নন্দীগ্রামে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikari) । গেরুয়া শিবিরে খুশির বন্যা। কিন্তু সেই বাংলায় কূর্সি দখল করার আনন্দের মাঝে কোথাও ছন্দপতন। বুধবার রাতে আততায়ীদের হামলার শিকার হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ (Chandranath Rath) । বুলেট তাঁর শরীর ঝাঁঝরা করে দিয়েছে। চন্দ্রনাথের হত্যাকাণ্ড ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।
ভোট পরবর্তী হিংসা ঘিরে দিকে দিকে আতঙ্ক বাড়ছে। ভোটের ফলপ্রকাশের ঠিক দু’দিনের মাথায় নির্মমতার বলি হলেন চন্দ্রনাথ রথ। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে শোকস্তব্ধ শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে চন্দ্রনাথের দেহকলকাতা থেকে চন্দ্রনাথের দেহ নিয়ে যখনও গাড়ি রওনা দেয় তাঁর বাড়ি চণ্ডীপুরের দিকে, সেই সময় শুভেন্দু বলেন, আমি ভবানীপুরে না জিতলে ওকে এভাবে খুন হতে হত না। বিরোধীদের দলনেতা ছিল বলেই আমার পিএ হিসেবে ওকেও টার্গেট করেছিল।” চন্দ্রনাথের পরিবারের প্রতি শুভেন্দুর আশ্বাস, খুনের ঘটনার চার্জশিট পেশ হবে, আমরা ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট চাইব।
আরও পড়ুন- রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে আমার ছেলে খুন, ফাঁসি না যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চাই, দাবি চন্দ্রনাথের মায়ের
চন্দ্রনাথ রথ রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও পরোক্ষাভাবে শুভেন্দু অধিকারীর অফিসিয়ালি কাজকর্ম সামলাতেন। ভবানীপুর, চণ্ডীপুর, নন্দীগ্রাম বিধানসভার দায়িত্বে ছিলেন। যখন শুভেন্দু তৃণমূল নেতা তখন থেকেই শুভেন্দুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা চন্দ্রনাথ রথের।
