33 C
Kolkata

‘প্রসব যন্ত্রণা’ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি, লেবার রুমে জানা গেল গর্ভবতীই নন! হুলুস্থুল হাসপাতালে

Must Read

পূর্ব বর্ধমান: কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে (Katwa Sub-divisional Hospital) এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার জেরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রসব যন্ত্রণা (Labor Pain) নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক মহিলাকে পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা জানতে পারেন, তিনি আদৌ গর্ভবতী (Pregnant) নন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, কেতুগ্রাম ১ ব্লকের হাট মুরগ্রামের বাসিন্দা ফুলবানু বিবি দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে অন্তঃসত্ত্বা বলে দাবি করে আসছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী এবং চিকিৎসকরাও তাঁকে গর্ভবতী হিসেবেই চিকিৎসা করছিলেন। এমনকি তাঁর নামে মা ও শিশু সুরক্ষা কার্ডও ইস্যু করা হয়েছিল। নিয়মিত ওষুধ ও ইঞ্জেকশনও দেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি পরিবারের।

আরও পড়ুন: বীরভূমে বালি ব্যবসায়ীর বাড়িতে টাকার পাহাড়, উদ্ধার বিপুর পরিমাণ সোনা

শুক্রবার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়েছে বলে দাবি করে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হন ফুলবানু। সেখানে স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায় তাঁকে পরীক্ষা করেন। প্রাথমিক পরীক্ষার পর চিকিৎসকের সন্দেহ হওয়ায় আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করা হয়। আর সেই রিপোর্টেই সামনে আসে আসল সত্য— ওই মহিলা গর্ভবতী নন।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই ধরনের ঘটনাকে বলা হয় ‘সিউডোসাইসিস’ বা ‘ফলস প্রেগন্যান্সি’। এই অবস্থায় মানসিক ও শারীরিক কিছু উপসর্গের কারণে একজন মহিলা নিজেকে গর্ভবতী বলে বিশ্বাস করতে শুরু করেন, যদিও বাস্তবে তিনি গর্ভধারণ করেন না।

ঘটনার পর থেকেই স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সঠিক মেডিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াই কীভাবে মা ও শিশু সুরক্ষা কার্ড ইস্যু করা হল, কেন নিয়মিত ওষুধ ও ইঞ্জেকশন দেওয়া হচ্ছিল— তা নিয়েই বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

ঘটনা প্রসঙ্গে বিপ্লব মণ্ডল জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্যকর্মীকে শোকজ করার প্রক্রিয়াও শুরু হচ্ছে।

দেখুন আরও খবর:

Latest News

মরে যাব তাও ভালো… আর কী বললেন অভিষেক?

কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ি ‘শান্তিনিকেতনে’ শনিবার দুপুরে গিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকেরা। অভিষেক জানিয়ে দেন, তিনি...

More Articles Like This