নিঃসঙ্গ প্রবীণদের পাশে ‘প্রণাম’, কলকাতা পুলিশ ও দ্য বেঙ্গলের যৌথ উদ্যোগ

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আমাদের এন্টারটেনমেন্ট-এর অভাব নেই। এছাড়া বন্ধুবান্ধব, আড্ডা, পার্টি, এসব তো আছেই। কিন্তু আমাদের সমাজেই একটা শ্রেণি রয়েছে যাঁরা একেবারে নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন। কথা হচ্ছে প্রবীণ ব্যক্তিদের নিয়ে। বহু বৃদ্ধ-বৃদ্ধা আজকালকার দিনে একাকিত্বে ভুগছেন। তাঁদের সন্তানরা কেউ অন্য শহরে থাকে, কেউ অন্য দেশে। মন খুলে কথা বলার উপায়টুকু তাঁদের নেই।

কলকাতা শহরের এমন প্রবীণদের পাশে দীর্ঘদিন ধরে যৌথভাবে থাকছে ‘দ্য বেঙ্গল’ সংগঠন এবং কলকাতা পুলিশ। একাকিত্বে দিন কাটানো প্রবীণ ব্যক্তিদের সহায়তায় তাদের উদ্যোগ ‘প্রণাম’। ১ অক্টোবর রাষ্ট্রপুঞ্জ ঘোষিত আন্তর্জাতিক প্রবীণ ব্যক্তিদের দিবস। তবে প্রণাম শুধু বছরের একদিন নয়, সারা বছর বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পাশে থাকে। তাঁরা কেমন আছেন তার খোঁজ নেয় কলকাতা পুলিশ। এমার্জেন্সি সার্ভিস, স্বাস্থ্য পরিষেবা, আইনি সহায়তা দেওয়া হয়।

এ বছর ১ অক্টোবর প্রণাম-এর থিম ‘The age of longevity: Rethinking systems for longer lives. এই থিম মনে করিয়ে দেয়, দীর্ঘজীবন মানে সিনিয়র সিটিজেনদের আরও ভালো, আরও নিরাপদ এবং সমাজের সঙ্গে আরও যুক্ত থাকাও।

আরও পড়ুন: খারাপ রাস্তা, দীর্ঘ যাত্রা! SIR ট্রাইব্যুনালের বিচারকের পদ ছাড়ছেন প্রাক্তন হাই কোর্ট বিচারপতি

অব্যাহত পরিচর্যার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রণাম-এর যুগ্ম আহ্বায়ক এশা দত্ত বলেন, “বর্তমানে বয়স্কদের সামনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল একাকিত্ব; কারণ সন্তানরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে এবং পরিবারগুলোর মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। এর সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হল আমাদের প্রবীণদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্রিয় ও কর্মব্যস্ত রাখা। এটি শুধুমাত্র একদিনের আয়োজন নয়, বরং ধারাবাহিক প্রচেষ্টা হওয়া প্রয়োজন। ‘প্রণাম’ এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা কলকাতার প্রবীণ নাগরিকদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।”

‘দ্য বেঙ্গল’-এর মহাসচিব সন্দীপ ভুতোরিয়া বলেন, “মর্যাদার সাথে বার্ধক্য যাপনের বিষয়টি এমন সব ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা উচিত যা কেবল বিশেষ উপলক্ষেই নয়, বরং প্রতিদিন আমাদের প্রবীণ নাগরিকদের যত্ন নেয়, সুরক্ষা দেয় এবং তাঁদের সমাজের মূলধারার সাথে যুক্ত রাখে। কলকাতা পুলিশের সাথে ‘প্রণাম’-এর ধারাবাহিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি যেন প্রবীণ নাগরিকরা নিরাপদ, সম্মানিত ও সমর্থিত বোধ করেন। দীর্ঘায়ু জীবনের সাথে সমাজ যখন নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে, তখন আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব হল এমন এক সহানুভূতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি প্রবীণ নাগরিক মর্যাদা, নিরাপত্তা ও আপনজনদের সান্নিধ্যের অনুভূতি নিয়ে জীবনযাপন করতে পারেন।”

Latest News

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ মুহূর্তে গোল, পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে ভারতের হকি দল

ওয়েব ডেস্ক: রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসের ফাইনালে গেল ভারতের পুরুষ হকি দল। খেলার ঠিক ৫০ সেকেন্ড বাকি...

More Articles Like This