ওয়েব ডেস্ক: নিন্দুকরা ‘কেকেআর’কে (KKR) ‘কেকে-হার’ বলে কটাক্ষ করেন। তবে আইপিএলের চলতি মরশুমে পার্পল ব্রিগেডের জঘন্য দশা দেখে ভক্তরাও বেশ বিরক্ত। মুম্বই থেকে কলকাতা, চেন্নাই হয়ে আহমেদাবাদে গিয়েও জয়ের মুখ দেখল না রাহানে অ্যান্ড কোম্পানি। ক্যামেরন গ্রিন রানে ফিরলেও কলকাতা নাইট রাইডার্সের (Kolkata Knight Riders) বোলাররা হাফ-ডজন ম্যাচ খেলেও যেন বাইশ গজের মাপজোপ ঠিকমতো বুঝতেই পারছেন না। তাই তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কেকেআরকে এবার হারতে হল গুজরাত টাইটান্সের কাছে।
এদিন টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজিঙ্ক রাহানে (Ajinkya Rahane)। অ্যালেনকে সরিয়ে আজ সেইফার্টকে সঙ্গে নিয়ে নামেন ওপেনিংয়ে। তবে এদিন প্রথম বলেই আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন নাইট দলের সেনাপতি। তার পর এক এক করে আউট হন সেইফার্ট, রঘুবংশীরাও। পাওয়ারপ্লেতে হাত খুলে রান করার জায়গায় ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট ব্রিগেড।
আরও পড়ুন: কাম্বলির শারীরিক অবস্থার অবনতি! পুরানো বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়ে কী করলেন শচীন?
সেই মুহূর্তে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন গ্রিন এবং পাওয়েল। রান না পাওয়ায় যে গ্রিনকে ঘিরে উঠেছিল কটাক্ষের ঘুর্ণিঝড়, তিনি এদিন ব্যাট হাতে করলেন ৭৯ রান। রভম্যান পাওয়েল ২৭, রমনদীপ সিং ১৭ রান করলেও আজও নাইটদের কোনও ব্যাটার সেভাবে রান পাননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান তোলে কেকেআর।
মডার্ন ডে ক্রিকেটে ২০ ওভারের ফরম্যাটে ১৮০ রান ডিফেন্ড করা বেশ কঠিন। বিশেষ করে কেকেআরের বোলিং ইউনিটের যে কঙ্কালসার চেহারাটা এই মরশুমে সামনে এসেছে, তাতে ম্যাচের প্রথমার্ধেই জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল গুজরাত টাইটান্স। তাই আগ্রাসী মেজাজে রান তাড়া শুরু করেন শুভমন গিল এবং সাই সুদর্শন। ওপেনিংয়ে ৫৫ রানের পার্টনারশিপ গড়েন দুই ব্যাটার। সুদর্শন ২২ রানে আউট হলেও গিলের ব্যাট থেকে আসে ৮৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস। জিটি-র বাকি ব্যাটারদের ছোট ছোট যোগদানে ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় দল।
এদিকে কেকেআরের বোলিং নিয়ে কথা বললে নারিন এবং বরুণ চক্রবর্তী ছাড়া বাকিরা ঢেলে রান বিলোলেন এদিনও। বোলিং ইউনিটে খামতিটা আজও বেশ স্পষ্টভাবে টের পাওয়া গেল বাইশ গজে। সব মিলিয়ে নাইটরা এখনও প্রথম জয়ের স্বাদ পেল না, সেই সঙ্গে বদলালো না পয়েন্ট টেবিলের অবস্থান এবং আরও ক্ষীণ হল প্লেঅফের আশা।
দেখুন আরও খবর:
