ওয়েবডেস্ক- রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) দ্বৈত নাগরিকত্ব মামলা (Dual Citizenship Case) এবার সরে দাঁড়ালেন খোদ বিচারপতি। মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court) লখনউ বেঞ্চে বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থী (Justice Subhash Vidyarthi) ।
ওই বিচারপতির দাবি, মামলাকারী বিজেপি কর্মী আর আদালতের উপর আস্থা রাখতে পারছেন না। বিচারপতি বিদ্যার্থী জানিয়েছেন, মামলাকারী বিজেপি কর্মী এস বিঘ্নেশ শিশির (BJP worker S. Vignesh Sisir) সোশ্যাল মিডিয়ায় আদালতের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, জনগণের মতামত চেয়েছেন যে মামলাটি এই বেঞ্চে চালানো উচিত কি না।
বিচারপতির মতে, মামলাকারীর যখন আদালতের ওপর আর আস্থা নেই, তখন এই মামলা অন্য কোনও বিচারপতির শোনা উচিত। গত ১৭ এপ্রিল বিচারপতি বিদ্যার্থী রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু ১৮ এপ্রিল সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। মামলাটি এখন এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে, যাতে তিনি নতুন একটি বেঞ্চ গঠন করতে পারেন।
রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভারতের নয় ব্রিটেনের নাগরিক। এই অভিযোগে রাহুলের বিরুদ্ধে এফ এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থী। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা পর রায়দানের কপি সোশাল মিডিয়ায় আপলোড করার পর দেখা যায়, সেই এফআইআরের নির্দেশ খারিজ হয়েছে। বিচারপতিও মেনে নেন, তার দেওয়া রায়ে পদ্ধতিগতভাবে ভুল ছিল।
রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশের আগে তাকে নোটিস পাঠানো উচিত ছিল, কিন্তু এই বিষয়টি তাকে কেউ মনে করিয়ে দেয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তে আগে রায় বদলাতে হয়েছে। এর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মামলাকারী বিজেপি ভিগ্নেশ শিশিরের পোস্ট। সেই পোস্টের পরেই মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি।
