29 C
Kolkata

বাবার অকালে চলে যাওয়া আশাকে ঠেলে দিয়েছিল কঠিন সংগ্রামে

Must Read

ওয়েবডেস্ক-  কিংবদন্তী! লেজেন্ড! ভার্সাটাইল সিঙ্গার! সব কিছুকে ছাপিয়ে তিনি আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle) । তাঁর সুরের মূর্চ্ছনায় দুলেছে তরুণ হৃদয় থেকে আপামরভারতবাসী। শুধু দেশের মধ্যেই তিনি সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তাঁর কন্ঠ সাত সমুদ্র তেরো নদী পার করেছিল। মারাঠি পরিবারে (Marathi Family) জন্ম হওয়া অত্যন্ত গরীব পরিবারে মেয়ে গানকে ভালোবেসেন ছিলেন।

ছোট থেকে দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম, মাথার পাশে দুদিকে দুটি বেনী ঝুলিয়ে দিদি সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের (Lata Mangeshkar) ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা। আর এক সময় তিনি নিজে একটি আলাদা আইডেন্টিটি, আশা ভোঁসলে। মঙ্গেশকর পরিবারটিই ছিল সঙ্গীত অনুরাগী। সেই সঙ্গীতের প্রতি ভালোবাসা, গানের প্রতি গভীর অনুরাগ, শ্রদ্ধা, কঠোর সাধনা, নিয়মানুবর্তিতা আজ তাঁকে পরিণত করেছিল এক কিংবদন্তী শিল্পীতে।

শিল্পীর কোনও মৃত্যু হয় না, তাই আশা ভোঁসলে চিরকাল বেঁচে থাকবেন সকল অনুরাগীদের হৃদয়ে। মঙ্গেশকর পরিবারে বেড়ে ওঠা আশার জীবন শুধু শিল্পকলার সংস্পর্শেই সীমাবদ্ধ ছিল না, জীবন যুদ্ধ, প্রতিকূলতা, সব কিছুকে ছাপিয়ে তিনি আশা ভোঁসলে। মহারাষ্ট্রের বিখ্যাত দীনানাথ মঙ্গেশকর পরিবারে কন্যা। তাঁর বাবার অকাল মৃত্যু পরিবারটিকে আর কষ্টের দিকে ঠেলে দেয়।

আরও পড়ুন-  সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন! না ফেরার দেশে আশা ভোঁসলে

সংসারে হাল টানতে ভাইবোনদের রোজগার শুরু করতে হয়। মাত্র ৯ বছর বয়সে সঙ্গীত জগতে কর্মজীবন শুরু করেন আশা। একটা সময় প্লে ব্যাক গানে একাধিপত্যের ছিল লতা মঙ্গেশকরের, সেক্ষেত্রে এক অন্য ঠান্ডা লড়াই ছিল দুই বোনের মধ্যে। এমন একটি বিখ্যাত পরিবারের নিজের জন্য আলাদা জায়গা তৈরি করা, নিজের পায়ে দাঁড়ানো, সাবলম্বী হওয়া, পরিবারের দায়িত্ব সব একদিনে আসেনি। এর জন্য অনেক লড়াই লড়তে হয়েছে। আশা ছাড়াও ছিলেন ঊষা মঙ্গেশকর, মীনা খাদিকার, ভাই হৃদয়নাথ মঙ্গেশকর। আশা ভোঁসলের ব্যক্তিগত জীবন তাঁর পেশাগত সাফল্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অল্প বয়সে গণপতরাও ভোঁসলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল, তবে তা বেশিদিন টেকেনি। পরবর্তী কালে প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, সঙ্গীতশিল্পী আর ডি বর্মণের সঙ্গে বিয়ে করেন আশা। সেই সময় তাঁর জীবন এক অন্য খাতে বইতে থাকে। তাদের বিবাহিত জীবন শৈল্পিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

একসঙ্গে তাঁরা বলিউডে অনেক বিখ্যাত সঙ্গীত সৃষ্টি করেন, যার মাধ্যমে তাঁদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন একসূত্রে গাঁথা হয়।

আশা ভোঁসলে এবং তাঁর প্রথম স্বামী গণপতরাও ভোঁসলের তিন সন্তান ছিল দুই পুত্র, হেমন্ত ও আনন্দ, এবং এক কন্যা, বর্ষা। ১৯৬০ সালে প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি এই তিন সন্তানকে একাই লালন-পালন করেছেন। আশা ২০১৫ সালে ক্যান্সারে তাঁর প্রথম সন্তান হেমন্তকে হারান, আর তাঁর মেয়ে বর্ষা ২০১২ সালে মারা যান। সম্প্রতি তাঁর নাতনি জানাই ভোঁসলে এক সমৃদ্ধ সঙ্গীত ঐতিহ্যের অন্য একটি দিক তুলে ধরেছেন।

 

 

Latest News

দাউদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নাশকতার চেষ্টা! রাজধানীতে ৯ জনকে ধরল পুলিশ

নয়াদিল্লি: রাজধানীতে সম্ভাব্য নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে ৯...

More Articles Like This