মোথাবাড়ি কাণ্ডে তদন্ত করবে NIA, বিরাট নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

0
52

নয়াদিল্লি: মোথাবাড়ি কাণ্ডে (Malda Mothabari Incident) নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court)। সেই সঙ্গে এই ঘটনা নিয়ে সোমবারও কড়া কথা শোনাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court )। এদিন মোথাবাড়ির ঘটনা নিয়ে শীর্ষ আদালতে শুনানি ছিল। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ট্রাইব্যুনালের কাজ নির্বিঘ্নে চালানোর মতো পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনকে। এবং মোথাবাড়িতে বিচারকদের উপর হামলার ঘটনার তদন্ত করবে এনআইএ-ই (NIA)। শুনানিতে কমিশন নিযুক্ত রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা ও মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়াল তীব্র ‘ভর্ৎসনা’ সুপ্রিম কোর্টের।

মালদহে সাত জুড়িশিয়াল অফিসারকে দীর্ঘক্ষণ ঘেরাওয়ের ঘটনায় রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতিমধ্যেই ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে মোফাক্কেরুল ইসলাম ও শাহজাহান আলিকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ধৃতদের এনআইএ-র হাতে তুলে দিতে হবে। পাশাপাশি, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত নথিও এনআইএ-র কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবারের কালিয়াচকের ঘটনা নিয়ে আজ সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট পেশ করে এনআইএ। গত কয়েকদিন ধরে এনআইএ-র টিম যে তদন্ত করেছে, তার উপর ভিত্তি করেই রিপোর্ট জমা করা হয়েছে। বন্ধ খামে সেই রিপোর্ট জমা পড়েছে।

আরও পড়ুন: ‘বটবৃক্ষ’ আরএসএসের ছায়া থেকে বেরিয়ে এসেছে বিজেপি! মন্তব্য মোদির

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য পুলিশের দায়ের করা ১২টি এফআইআরের তদন্ত করবে এনআইএ।সোমবার সুপ্রিম কোর্টের মোথাবাড়ি কাণ্ডে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রিপোর্ট জমার আগে দিল্লির সদর দফতরে একপ্রস্থ বিশেষ বৈঠকও করেন এনআইএ আধিকারিকরা। এনআইএ-র পেশ করা রিপোর্টে স্থানীয় পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আছে বলে জানানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, যদি আরও অন্য কোনও ব্যক্তির যোগ থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, অথবা অন্য কোনও দিক উন্মোচিত হয়, তাহলে এনআইএ প্রয়োজনে আরও এফআইআর দায়ের করতে পারে। কলকাতায় এনআইএ কোর্টে তদন্তের বিষয় জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে সুপ্রিম কোর্টে।

স্থানীয় পুলিশকে তদন্তের সমস্ত কাগজ এবং এফআইআর অবিলম্বে এনআইএ-কে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, স্থানীয় পুলিশকে সবরকম সাহায্য করতে হবে। জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তার বিষয় আলাদা হলফনামা জমা দিয়েছে কমিশন।মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-র কাছে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। এদিন মুখ্যসচিবকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘কেন প্রধান বিচারপতির ফোন ধরেননি?’ উত্তরে মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, তিনি দিল্লিতে কাজে গিয়েছিলেন। দুপুরে বিমানে ছিলেন তিনি। তাঁর ফোনে কোনও কল যায়নি।এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনি মোবাইল নম্বর কেন শেয়ার করেননি? আপনার কাছে রাতে ফোন এসেছে, যখন আপনি প্লেন থেকে নেমে গিয়েছেন। আপনাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।মুখ্যসচিবকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনাকে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here