হ্যাঁ, এ এক বর্গি হানাই বটে, সংবিধান বলছে প্রত্যেক নাগরিকের ভোট দেবার অধিকার তার মৌলিক অধিকার, কিন্তু এখনও যা অবস্থা, তাতে ১৫ লক্ষ, হ্যাঁ, কমবেশি ১৫ লক্ষ মানুষকে বাদ দিয়েই আমাদের পালন করতে হবে গণতন্ত্রের মহোত্তম উৎসব। আসলে নেকড়েটা সেই বাচ্ছা ভেড়াটাকে খেতে চায়, হ্যাঁ, সেই লোভি নেকড়েটা রক্ত মাংস হাড় মজ্জার খোঁজে বেরিয়ে দেখেছে একটা ভেড়ার বাচ্চা জল খাচ্ছে, সে তাকে খেতে চায়। কিন্তু সেই খেতে চাইবার কিছু যুক্তি খুঁজে বার করছে। ‘তুই কেন জল খেতে এসেছিস?’, ‘কেন তুই আমার জল এঁটো করে দিচ্ছিস’ ইত্যাদি ইত্যাদি, সে গল্প সবার জানা। সেই হিংস্র নেকড়ে আজ আমাদের বাংলাতে। হ্যাঁ, রক্ত-মাংস-হাড়-মজ্জার লোভে সে আজ যে কোনও অজুহাতে বাংলা দখল করতে চায়। একের পর এক নতুন নখ দাঁত বার করে মোদি অ্যান্ড কোম্পানি আসলে আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। বিজেপি খুব ভালো করে জানে যে, স্বাভাবিক নিয়ম, রীতি-নীতি মেনে এ রাজ্যে তাদের জেতা সম্ভব নয়। সম্ভব নয়, তার প্রথম কারণ হল, এই রাজ্যের ৩৪ শতাংশ সংখ্যালঘু মানুষের ভোট তারা চান না, আর চাইবেনই বা কী করে? ২৯৪টা আসনে তারা একজন সংখ্যালঘু প্রার্থী খুঁজে দাঁড় করাতে পারেনি। অন্যদিকে এই রাজ্যের এক বিশাল অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য, এ রাজ্যের সংস্কৃতি। এবং ওনারা এটাও ভালো করে জানেন যে, এবারে যদি বিজেপি না জেতে, তা হলে এরপরে এই দরজা আর খুলবে না। ওনাদের পয়সায় চলে এক ইউটিউব, তার নাকি এক সাংবাদিক, তিনিই এই কথা বলেছেন, এবারে না পারলে আর কোনও দিনই পারবে না বিজেপি। তাই এবারেই বিজেপিকে বাংলা দখল করতে হবে, হ্যাঁ দখল করতে হবে।
বাংলার নির্বাচন এই মুহুর্তে বিজেপির কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাকে দেশের সংবিধানের খোলনলচে পালটে দেবার জন্য ১৪তম রাজ্যের দখল নিতে হবে, আর সামনে যে নির্বাচন আছে, সেখানে সে তামিলনাড়ুতে ডিস্ট্যান্ট থার্ড, কেরলেও তাই। কাজেই তাকে পেতে হবে বাংলা। দেশের সংবিধান থেকে ‘সেকুলার’, ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দগুলোকে সরানোর জন্য, দেশের জাতীয় সংগীত বদলানোর জন্য, পারলে দেশের জাতীয় পতাকা বদলানোর জন্য। হ্যাঁ, আজ থেকে ৬০-৭০ বছর আগেও এই কথাগুলো পাগলেও বলত না, ৩০-৩৫ বছর আগে থেকে কিছু উন্মাদ বলা শুরু করেছিল, এখন প্রকাশ্যেই দাবি উঠছে, সংসদে আলোচনা হচ্ছে। কাজেই এসব চলবে, আর এই অভীষ্ট হিন্দু রাষ্ট্রের কাঠামো খাড়া করার জন্য বিজেপির দরকার বাংলার মসনদ। এমনি এমনিই বিজেপি-আরএসএস-এর সবটা শক্তি এই বাংলা দখলের কাজে নামেনি! বিভিন্ন ধার থেকে এই কাজ চলছে, খুব সুক্ষ্মভাবে, খুব মোটা দাগের কাজে-কম্মে এই লক্ষ্যপূরণের চেষ্টা চলছে। ২০১৯ থেকে বিজেপি বাংলা বিজয়ের গন্ধ পেয়েছিল, হ্যাঁ, বামেদের ২৭ শতাংশ ভোট যখন ফুটকি লাগিয়ে রামেদের দিকে গেল, গিয়েছিল, ঠিক তখন থেকেই এই খোয়াবানামার শুরুয়াত, বিজেপি বুঝেছিল বাংলা দখল করা সম্ভব, কারণ তার আগে বিজেপির কোর ভোট ১০ থেকে ১১-র মধ্যেই ঘোরাফেরা করেছে, কখনও কমে গিয়েছে, কখনও সামান্য বেড়েছে। ২০১১-র বিধানসভা- প্রায় ৪.১ শতাংশ, ২০১৪-র লোকসভা- প্রায় ১৭.০ শতাংশ, উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। ২০১৬-র বিধানসভা- প্রায় ১০.২ শতাংশ, ২০১৯-এর লোকসভা- প্রায় ৪০.৬ শতাংশ, সর্বাধিক ভোট শতাংশ এবং ১৮টা আসনে জয়। ২০২১-এর বিধানসভা- প্রায় ৩৮.১৩ শতাংশ, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির ভোট শতাংশ ছিল প্রায় ৩৮.৭৩ শতাংশ। তারা তাদের উচ্চতা ছুঁয়েছিল ২০১৯-এ, আর তারপর থেকে তাদের ভোট শতাংশ কমেছে। কেন? তার প্রথম কারণ হল, ২০১৯-এর আগে আমাদের বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এসে যাবে, এই ধারণাটাই মানুষের মাথায় ছিল না। হঠাৎ এক ঝটকায় নিপিড়িত বামেদের ভোট ফুটকি লাগিয়ে রামেদের দিকে চলে গিয়ে সেই সম্ভাবনাকে আমাদের সামনে তুলে আনল, বিজেপিও বুঝতে পারল যে, তারা ক্ষমতা দখল করতে পেরে, আর বাংলার মানুষও বুঝতে পারল, তৃণমূল ক্ষমতা থেকে চলে গেলে বিজেপি, একমাত্র বিজেপিই ক্ষমতায় বসবে। এই নতুন দিশা বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন আলোড়ন আনল।
(১) সংখ্যালঘুরা, যাঁরা এতদিন অন্তত বাংলাতে এই বিজেপি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন না, তাঁদের মাথায় এক নতুন আশঙ্কা জন্ম নিল- বিজেপি আসতে পারে, এবং ইতিমধ্যেই বিজেপি বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে, বাংলার মুসলমান সমাজ কেবল ২০০২-এর গুজরাত রায়টের কথাই নয়, তারা চোখের সামনে যোগীজিকে দেখছেন, বুলডোজার সংস্কৃতি দেখছেন, অসম দেখছেন, মহারাষ্ট্র দেখছেন, দেখছেন গোরক্ষা বাহিনীদের পিটিয়ে মারা, শুনছেন এ রাজ্যেও সেই একই রণহুঙ্কার। হিন্দি বা উর্দুভাষী মুসলমানেরাও তাঁদের ভাই বেরাদরদের কাছ থেকে খবর পাচ্ছেন, খবর পাচ্ছেন যোগীরাজ্যে এনকাউন্টার হওয়া ক্রিমিনালদের ৮৯ শতাংশ মুসলমান, খবর পাচ্ছেন স্থানীয় প্রশাসন উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন শহরে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নূন্যতম প্রতিবাদের পরেই বুলডোজার হাজির হবে। এ রাজ্যের বাঙালি মুসলমানেরা শুনছেন রাতারাতি গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে হবে। হ্যাঁ, প্রকাশ্যেই হুমকি আসছে, হুমকি দিচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা, যিনি সাফ জানিয়েই দিয়েছে, ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ চলবে না, ওই যাঁরা আমাদের ভোট দেয় না, তাঁদের ভোট আমরা চাই না।’ এর থেকে পরিস্কার করে কিই বা বলা যায়? কাজেই ২০১৯-এর পর থেকে ওই সংখ্যালঘু ভোট একজোট হয়েছে। এরকম এক আবহে এসআইআর হবে, শুরু হল, খসড়া তালিকা বেরোল, অন্য কিছু রাজ্যে একইসঙ্গে চলছিল লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, আমাদের এখানে ৬০ লক্ষ নাম কাটা যাওয়ার পরে নতুন করে বিষয়টাকে আনা হল, আর সেই তালিকাতে ৮০ শতাংশ মুসলমান মানুষজনের নাম, সেটাই এক বিরাট অযৌক্তিক ব্যাপার, কিন্তু হল। ওদিকে প্রথম খসড়াতেই যাঁরা বাদ পড়েছিলেন, তাঁদের অনেকে আপিল করেছেন, সেই সংখ্যাটাও কমবেশি ৭-৮ লক্ষ। তাঁদের কী হল? এখনও জানা নেই। এদিকে প্রথম পর্যায়ের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি তালিকাতে বাদ পড়াদের সংখ্যাই এখনও আমাদের জানাই নেই, ৬০ লক্ষ ভোটার যাঁদের ২০০২-এ নাম ছিল, তাঁদের ৪৯ লক্ষের নাম নাকি বিচার হয়ে গিয়েছে, কিন্তু তাঁদের মধ্যে কতজনের নাম আছে, কতজনের নেই- কেউ জানে না। একটা সূত্র বলছে ৪০ শতাংশ নাম কাটা গিয়েছে। তার মানে প্রায় ১৭-১৮ লক্ষ, বলা হচ্ছে এনারা এখনই নাকি আপিল করতে পারবেন, কবে সেই আপিলের শুনানি হবে? তাঁরা কি আদৌ ভোট দিতে পারবেন? জানা নেই। কিন্তু রাজ্যজুড়ে আসলি ভোটার খুঁজে বের করার নামে একপাল হিংস্র নেকড়েকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: Fourth Pillar | যুদ্ধের ঝালাপালার মধ্যে মোদিজির মুখে তালা কেন?
ভোট এসে গিয়েছে ঘাড়ের উপরে, এখন ভোট নিয়ে ব্যস্ত রাজনৈতিক দল, আর একবারও বলছেন না যে, এই বিরাট সংখ্যার বৈধ ভোটারদের বাদ দিয়ে কেন নির্বাচন হবে? এরই মধ্যে ঢুকে গিয়েছে আধাসামরিক বাহিনী, রুট মার্চ করছে, চারিদিকে এক যুদ্ধের আবহ। এ অবশ্য আমরা আগেও দেখেছি, দেখেছি তো শীতলকুচির গুলিচালনা, দেখেছি তো আমাদের ট্যাক্সের পয়সায় কেনা বন্দুকের গুলিতে নিথর হয়ে পড়ে থাকা আমাদেরই সহনাগরিকদের লাশ, কিন্তু এবারে আরও সতর্ক সেই ব্যবস্থা। এক্কেবারে সার্কুলার দিয়েই বলা হয়েছে, এবারে সেসব কিছু হলে ওই আধা-সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর করা যাবে না, সে ওঁরা গুলিই চালান বা ধর্ষণই করুন, অভিযোগ করা যাবে না। ব্যাবস্থা এক্কেবারে পাকাপোক্ত করেই মাঠে নেমেছে মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। কিন্তু নীল রংয়ের গামলায় পড়ে নিজের ভোল পাল্টিয়ে শেয়াল রাজা বৃষ্টিতে ভিজে নিজের চেহারা মেলে ধরে, তার নাংগা চেহারাটা প্রত্যেকের সামনে এসে দাঁড়ায়, ঠিক তেমনিই বিজেপির দফতর থেকে নির্বাচন কমিশন কাজ করছিল, তো নিজেদের স্ট্যাম্প দেবার বদলে বিজেপির স্ট্যাম্প দিয়ে ফেলেছে, মানে হুক্কা-হুয়া বলে ডেকে ফেলেছে, গ্রামের লোক সেই নীলবর্ণ শেয়ালকে সেদিন বাঁশ পেটা করে মেরে ফেলেছিল, নির্বাচন কমিশনকে কী করা হবে? এতটা নির্লজ্জ কীভাবে হতে পারে? পারে কারণ এই আরএসএস–বিজেপির কুষ্টিতে গণতন্ত্র বলে কথাটাই নেই। কতটা নির্লজ্জ হলে নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বিজেপির স্ট্যাম্প দেওয়া হয়, আরও কতটা নির্লজ্জ হলে সেটাকে একটা ক্ল্যারিকাল মিসটেক বলে দায় কাটানোর চেষ্টা হয়? পাড়ার ক্লাবেও যে ভুল হবে না, হওয়ার কথা নয়, সেই ভুল হচ্ছে নির্বাচন কমিশনে, এরা আবার দেশের মানুষের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বার করতে বেরিয়েছেন। সেই নির্বাচন কমিশন এই রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে এমন ভাব সাব দেখাচ্ছেন যে, মনে হতে বাধ্য যে, এই রাজ্যে কোনও নির্বাচিত সরকারই নেই।
সুপ্রিম কোর্ট বলছে বিচারকদের ঘেরাও করলো কারা? কী করে হল? অ্যা মলো যা! মুখ্যসচিবকে কে বসিয়েছে? স্বরাষ্ট্রসচিবকে কে এনেছে? একজনও জিজ্ঞেসই করছে না, ওই ধর্মের ষাঁড়েরা কী করছে? আসলে নির্লজ্জের মতো নাম কাটার পরেও স্বস্তিতে নেই জ্ঞানেশ কুমার, কেন না, এখনও বেশিরভাগ সমীক্ষা বলছে তৃণমূলই জিতছে। তাই সার্কুলারের পর সার্কুলার, এবারে জানানো হয়েছে যে, প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে হয় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারি, না হলে পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিংয়ের কর্মচারীকে প্রিসাইডিং অফিসার করতে হবে। মানে কী? মানে হল, একজন রাজ্য সরকারি কলেজের অধ্যাপক, একজন রেভিনিউ বিভাগের অফিসার রেলের একজন করণিকের তলায় ফার্স্ট পোলিং অফিসার হয়ে কাজ করবেন। হ্যাঁ, তাই তো দাঁড়াচ্ছে। কেন? কারণ ওনারা মনে করেন রাজ্যের প্রতিটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী আসলে তৃণমূল সমর্থক, তাই তাঁদের উপরে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। ৭৩জন রিটার্নিং অফিসারকে বদল করা হয়েছে মাত্র গতকাল। এক অরাজক অবস্থা তৈরি করা হচ্ছে, আর আপনি সেই অরাজক অবস্থার বিরুদ্ধে আজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে গেলে সিআরপিএফ বেদম ঠ্যাঙালে, গুলি করে মারলেও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর হবে না, আর মহামান্য চিফ ইলেকশন কমিশনারকে তো কবেই সেই ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে, এখন নয় এমনকি অবসরের পরেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলাই দায়ের করা যাবে না। মানে খুব পরিস্কার, বিজেপি তাদের মন-মর্জি মতো ভোটার তালিকা বানাবে, যাকে ইচ্ছে রাখবে, যাকে ইচ্ছে বাদ দেবে, তার জন্য প্রভুভক্ত এক নির্বাচন কমিশন তারা বানিয়েছে, তারা নির্বাচিত রাজ্য সরকারকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে প্রশাসনকে নিজেদের মত করে সাজিয়ে নেবে, তাদের যেমন খুশি তেমন পদ্ধতিতে নির্বাচন করবে, এবং এ তো সবে কলির সন্ধ্যে, এর পরে শুরু হবে প্রচার, টাকা পয়সা থেকে প্রতিটা আচরণবিধির জালে থাকবেন বিরোধীরা, খোলা ষাঁড়ের মত রাস্তায় ঘুরবে বিজেপি প্রার্থী আর নেতারা, নির্বাচনের দিনেও সেসব কায়দাবাজি রগড় আমরা অনেক দেখেছি আবার দেখব। এর পরেও জিতে গেলে সেই সরকারকে তার প্রাপ্য টাকা দেবে না, সেই সরকারকে প্রতি পদে পদে সিবিআই আর ইডি পাঠিয়ে উত্যক্ত করবে, নির্বাচিত রাজ্য সরকারকে কাজই করতে দেবে না।
এ এক খুল্লম খুল্লা যুদ্ধ ঘোষণা, হ্যাঁ বর্গি হানা চলছে আমাদের বাংলাতে। আজ বাংলায় সেই হানাদারির মুখে দাঁড়িয়ে যাঁরা এখনও ভাবছেন, এই সুযোগে তৃণমূল সরে গেলে তাঁদের জায়গা হয়ে যাবে, তাঁদের জন্য আমার করুণা হয়, এই দেওয়ালটাই শেষ দেওয়াল, এই দেওয়াল ভাঙলে কিচ্ছু পড়ে থাকবে না। হ্যাঁ, এটাই সেই পলাশীর প্রান্তর, আমরা এসে দাঁড়িয়েছি আবার সেই ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে, আরএসএস-বিজেপি সংবিধানের ষষ্ঠীপুজো করেই দেশের ফেডারেল স্ট্রাকচারকে ভেঙে চুরমার করে এক কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, সংবিধানকে বদলাতে চায়, দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোকে চুরমার করতে চায়। ওরা বাংলাকে ভাতে মারতে চায়, পাতে মারতে চায়, এই হানাদারিকে রুখতে হবে, হ্যাঁ আপাতত এটাই প্রথম কাজ।
দেখুন আরও খবর:

