31.6 C
Kolkata

পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কায় বিশ্ব!? প্রথম ধাক্কায় কোন শহর টার্গেটে?

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: ইরান (Iran), ইজরায়েল (Israel) ও আমেরিকার (America) মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনায় উদ্বেগে গোটা বিশ্ব। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি চরমে পৌঁছালে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার হতে পারে। তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন যুদ্ধে প্রথম লক্ষ্যবস্তু হবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর ও সামরিক ঘাঁটি।

কারা থাকে নিশানায়?

যুদ্ধের শুরুতেই সাধারণত টার্গেট করা হয় বড় শহর, প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং সামরিক ঘাঁটিগুলিকে। এয়ারবেস, মিসাইল লঞ্চ সাইট বা সেনা সদর দফতরের আশপাশের এলাকাগুলি তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

আরও পড়ুন: রোখা যাচ্ছে না ইরানকে! এবার সৌদিতে যা ঘটল, জানলে শিউরে উঠবেন

ঘনবসতিপূর্ণ মহানগরীতে বিস্ফোরণের প্রভাব মারাত্মক হতে পারে। তাপপ্রবাহ, শকওয়েভ এবং পরবর্তী অগ্নিকাণ্ড মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। তবে “বহুতল মানেই বেশি ঝুঁকি” এটা একেবারে সরলভাবে বলা ঠিক নয়। বরং ভবনের গঠন, অবস্থান এবং আশ্রয়ের সুযোগ, এসবের উপর ঝুঁকি নির্ভর করে।

পালালেই কি নিরাপদ?

অনেকের ধারণা, শহর ছেড়ে দূরে চলে গেলে বিপদ এড়ানো যাবে। বাস্তবে, পরমাণু বিস্ফোরণের পরে তেজস্ক্রিয় ধূলিকণা (fallout) বাতাসের মাধ্যমে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়াতে পারে। ফলে শুধু স্থান বদলালেই সম্পূর্ণ সুরক্ষা মিলবে, এমনটা বলা যায় না।

বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, পরমাণু যুদ্ধ হলে তার প্রভাব এতটাই ভয়াবহ যে ‘নিরাপদ জায়গা’ বলে প্রায় কিছুই থাকে না। তাই আন্তর্জাতিক কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত এড়ানোই সবচেয়ে বড় ভরসা।

Latest News

ইসকনের সব পদ থেকে সরানো হল রাধারমণ দাস-কে, কারণ কী?

ওয়েব ডেস্ক : পদচ্যুত হলেন কলকাতা (Kolkata) ইসকনের সহ সভাপতি রাধারমণ দাস (Radharaman Das)। শনিবার রাতেই নাকি এই সিদ্ধান্তের...

More Articles Like This