কোনও বড় ঘটনা ঘটলে তার দায় নেবে কে? হাইকোর্টে সওয়াল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের

0
64

কলকাতা: রাজ্যের আমলাদের বদলি নিয়ে জনস্বার্থ মামলার শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হচ্ছে। আইএএস-আইপিএস বদলি (IAS and IPS Transfer Case) নিয়ে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) বলেন, রাতারাতি আধিকারিকদের অপসারণ করা হয়েছে। মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র সরিয়ে দিয়েছে। পঞ্চায়েত দফতরের সচিবকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক?জাভেদ শামীম এর মতো অভিজ্ঞ আইনশৃঙ্খলা ও পরিস্থিতি সামলানোর অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে দিয়েছেন। তিনি এক মাস হল দায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁকে সরানোর পিছনে কারণ কী?”

আবেদনকারী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, এটা জনস্বার্থ মামলা কারণ, নির্বাচন কমিশন (Election Commission ) পুলিশ ও DEO দের বদলি করে দিচ্ছে। SIR প্রক্রিয়া চলছে। এই DEO রা SIR কাজে নিযুক্ত আছেন। পঞ্চায়েত সচিব নির্বাচন এর কাজে যুক্ত নয় তিনি গ্রাম উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত তাকেও বদলি করা হয়ছে এর ফলে রাজ্যের উন্নয়ন বিপর্যস্ত হচ্ছে।যদি কোনও বিপর্যয় হয় তাহলে কে তার দায়িত্ব নেবে? নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব নেবে? আইএএস,আইপিএসদের বদলি করছে। যারা SIR কাজে নিযুক্ত। এটা ভারতের মধ্যে প্রথম যে এসআইআরের কাজে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ করতে হয়ছে। আবেদনকারী কল্যাণ বলেন, SIR এর কাজে নিযুক্ত বিচারকদের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করতে ট্রাইবুলান গঠন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সিইওর অবস্থান খর্ব করেছে সুপ্রিম কোর্ট।মুখ্যসচিব কখনও অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত হতে পারে না। ডিজির বদলির নিয়ম আছে।

আরও পড়ুন: চিংড়িঘাটা মেট্রো: মামলা তুলে নিন, নাহলে খারিজ করে দেব, রাজ্যকে বলল সুপ্রিম কোর্ট

কল্যাণের সওয়াল, ১৩ জন অফিসার স্থানান্তর করা হয়ছে। ডিআইজি লেভেল এর ৫ জন কে স্থানান্তরিত করা হয়ছে। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে কল্যাণ আরও বলেন, “৬৩ জন পুলিশ অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে। ১৬ জন আইএএস অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে।”পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সমস্যা মুখ্যসচিব দেখছেন। তাঁকে সরিয়ে দিল। কমিশন কি ইচ্ছাকৃত ভাবে এমন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে? এসআইআর শুরুর সময় থেকে কমিশন অফিসারদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। এসআইআরের সময় ওই অফিসারদের কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেনি কমিশন।নির্বাচন ঘোষণার পরে তারা কেন হঠাৎ অপসারণ করছে? কী এমন হল? শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আর অন্য কোনও রাজ্যে এমন হয়নি।”

বিরতির আগে এজলাসে কমিশনের উদ্দেশ্য এবং এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।বিরতির পরে আদালতে সওয়াল করেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। তিনি বলেন, “ভোটার তালিকা প্রস্তুত নিয়ে কমিশনের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কমিশনের দু’টি কাজ। এক, ভোটার তালিকা প্রকাশ। দুই, নির্বাচন পরিচালনা করা। প্রথমটিতে বিচারকদের উপর দায়িত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here