ওয়েবডেস্ক- ট্রমা কেয়ার থেকে পায়ে হেঁটে বিশ্বজিৎ সামন্ত (Biswajit Samanta) পে অ্যান্ড ইউজ টয়লেটে (Pay and use toilets) গিয়েছিলেন। সুলভ শৌচালয়টি দোতলা, নিচে শুধুমাত্র টয়লেট করার জায়গা, ২০-২৫টি সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠে মলত্যাগ করার জায়গা। এই সিঁড়ি ভেঙেই বিশ্বজিৎ সামন্ত উপরে উঠেছিলেন, তারপর থেকেই তার শরীরে অসুস্থতা বাড়তে থাকে দাবি পরিবারের।
মৃত বিশ্বজিৎ সামন্তের পরিবারের বক্তব্য যদি ট্রমা কেয়ারের (Trauma care) ভিতরেই মলত্যাগ বা শৌচাগারের ব্যবস্থা থাকত তাহলে এই পরিস্থিতি অন্তত হত না। একটা অসুস্থ মানুষকে এতটা হেঁটে যেতে হল কেন? ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন পরিবারের লোকেরা।
আরও পড়ুন- ‘যুবসাথী’র টাকা পেতে দেরি হচ্ছে কেন? আবেদনে ভুল নেই তো! যাচাই করুন এই উপায়ে
আরজিকর কাণ্ডে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য-রাজনীতি। তার রেশ এখনও বর্তমান। ফের চলতি মাসে খবরের শিরোনামে আরজি কর। দু’দিন আগেই কলকাতার আরজিকর হাসপাতালের লিফটে আটকে মৃত্যুর ঘটনার দুদিন যেতে না যেতেই ফের আরও এক ঘটনা। হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার ইউনিটে বুকে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন বিশ্বজিৎ সামন্ত। শৌচাগারে যাওয়ার জন্য তাঁকে প্রায় ১০০ মিটার হেঁটে পে-অ্যান্ড ইউজ টয়লেটে যেতে হয়। এই সময় তিনি কোনও রকমভাবে স্ট্রেচার ও কোনও হাসপাতালের কর্মীর সহযোগিতা পাননি। এই শারীরিক পরিশ্রমের ফলে টয়লেট থেকে ফেরার সময় তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন এবং পরে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে বিশ্বজিৎ সামন্তকে মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন সামন্তের পরিবার।
আরও পড়ুন- আরজি কর লিফট কাণ্ডে জনস্বার্থ মামলা! হাইকোর্টে কী দাবি করলেন আইনজীবী? দেখুন একনজরে
তাদের অভিযোগ, বিশ্বজিৎ সামন্তকে কোনও স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার দেওয়া হয়নি, তাই তিনি পায়ে হেঁটে যেতে বাধ্য হন। ট্রমা কেয়ার ইউনিট থেকে ওই পে-অ্যান্ড-ইউজ টয়লেটের দূরত্ব ছিল প্রায় ১০০ মিটার। হাঁটার পরিশ্রমে অবস্থার অবনতি হয় এবং টয়লেট থেকে ফেরার সময় তিনি মেঝেতে পড়ে যান। সেই কারণেই মৃত্যু। এই ঘটনায় হাসপাতালের পরিকাঠামো ও রোগী সহায়তার অভাব নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে

