কলকাতা: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (RG Kar Medical College Hospital) লিফটে দুর্ঘটনা। অভিযোগ হাসপাতালের লিফটে আটকে গিয়ে মৃত্যু ৪০ বছরের ব্যক্তির। ঘটনায় শুক্রবার সকালে ব্যাপক শোরগোল হাসপাতাল চত্বরে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের আত্মীয়েরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে টালা থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, চার বছরের বাচ্চা সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন ট্রমা-অপারেশন বিল্ডিং(RG Kar Trauma Care)। ওই বিল্ডিংয়ের লিফটে আটকে গিয়ে মৃত্যু বলে অভিযোগ। মৃত ব্যাক্তির নাম অরূপ ব্যানার্জি, নাগেরবাজারের বাসিন্দা।
জানা গিয়েছে, এ দিন সকালে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটে আটকে মৃত্যু হয় দমদমের ওই বাসিন্দার। লিফটে আটকে যাওয়া ব্যক্তিকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সহযোগিতায় চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। গুরুতরভাবে আহত হয় তার তিন বছর ১১ মাসের শিশু পুত্র, সে এখন চিকিৎসাধীন বলে সূত্রের খবর। মূলত এই ঘটনা লিফটের অব্যবস্থার কারণে ও হাসপাতালের মেনটেনেন্স এর অভাবে এমন ঘটনা ঘটেছে বলেই অভিযোগ। মৃত ব্যক্তি দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। আরজি কর হাসপাতালে চাঞ্চল্য ছড়ায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ঘটনার সময় লিফ্ট অপারেটর জন্য কেউ ছিলেন না। তাই কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়েছে টালা থানার পুলিশ।
আরও পড়ুন: আমলাদের আচমকা বদলিতে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী, ‘পত্রবোমা’য় কমিশনকে কী লিখলেন মমতা?
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির এক পুত্র আরজি কর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। পুত্রকে দেখতে চার বছরের কনিষ্ঠ পুত্র এবং স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের পাঁচ তলায় যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু কোনও কারণে লিফ্টে আটকে পড়েন তাঁরা। তীব্র ঝাঁকুনির পর লিফটি উপরে যেতে যেতে হঠাৎ নীচে বেসমেন্টে নেমে আসে। বেশ কিছু সময় কেটে যাওয়ার পরে লিফ্ট খুলে তিন জনকে উদ্ধার করা হয়। অরূপ ঘটনাস্থলেই মারা গেলেও তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র এবং স্ত্রী সুস্থ রয়েছেন।যান্ত্রিক গোলযোগের জেরেই এই দুর্ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে টালা থানার পুলিশ। আরজি করে নির্যাতিতার মৃত্যুর পর থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকে সেখানে, তাও কী করে সেই ঘটনা ঘটল, সেই প্রশ্ন উঠছে বারবার।

