গভীর রাতে মুখ্যসচিব-স্বরাষ্ট্রসচিকে বদলির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূলের

0
41

নয়াদিল্লি: বঙ্গে ভোটের (West Bengal Assembly Election) সূচি ঘোষণার পরপরই রবিবার মাঝরাতেই মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব বদলের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সোমবার সকালে পুলিশের শীর্ষকর্তাদের একাধিক পদে রদবদল করা হয়েছে। রাজ্যের পুলিশকর্তা ও আমলাদের দ্রুত বদলিতে কমিশনের ‘অতিসক্রিয়তা’ দেখছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। আর তার রেশ আছড়ে পড়ল দিল্লিতেও। সোমবার রাজ্যসভার অধিবেশনে এনিয়ে প্রতিবাদ করেন তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন (Derek O’Brien)। সংসদের উচ্চকক্ষে ‘জিরো আওয়ার’-এর ঠিক আগেই শীর্ষ আমলাদের অপসারণের বিষয়টি রাজ্যসভায় তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।

ডেরেক বলেন, “গভীর রাতে কমিশন মুখ্যসচিব, প্রধান সচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। এটি করার সমস্ত ক্ষমতা তাদের রয়েছে।” ডেরেক ও ব্রায়েনের কটাক্ষ, ‘ক্ষমতার সবরকম অপব্যবহার করছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যসভায় একটি সাদা জামা পরে গিয়েছিলেন ডেরেক। নিজের পোশাকের কথা তুলে সাংসদ বলেন, “কমিশন বলতেই পারে আমি সাদা জামা পরে নেই, নীল জামা পরে আছি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপের বিরোধিতায় আমরা, তৃণমূল সাংসদরা আজ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করছি।’ এদিন লোকসভাতেও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান তৃণমূলের তারকা শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় ভোটে জিততে বিজেপি সবরকম কৌশল প্রয়োগ করছে। এমনকী নির্বাচন কমিশনকেও (Election Commission) ব্যবহার করছে।শতাব্দীর এই অভিযোগকে সমর্থন করেন ইন্ডিয়া জোটের শরিক সমাজবাদী পার্টির সাাংসদ অখিলেশ যাদবও (Akhilesh Yadav)। তাঁর মতে, রাতারাতি বাংলায় আমলা বদলের নেপথ্যে বিজেপির কলকাঠি রয়েছে।

আরও পড়ুন:৫০ বছর পর দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন, ২ হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়

প্রসঙ্গত, নন্দিনীকে সরিয়ে রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব পদে দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে নিয়ে এসেছে কমিশন। নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। ডিজিপি পদ থেকে পীযূষ পাণ্ডেকে সরিয়ে ওই পদে নিয়ে আসা হয়েছে সিদ্ধনাথ গুপ্তকে। সুপ্রতিম সরকারের জায়গায় কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে অজয় নন্দকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here