পশ্চিমবঙ্গে ক’দফায় ভোট করতে চাইছে কমিশন?

0
45

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে ক’দফায় ভোট করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)? রাজ্যে ক’দফায় ভোট হবে, এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে রয়েছে। সেই প্রশ্নই ঘুরছে রাজ্যের সমস্ত মহলেই। সেই বিষয় এখনও কিছুই জানা যায়নি। বাংলার সঙ্গেই ভোটের দিন ঘোষণা হবে, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম, পুদুচেরির। রাজ্যে ক’দফায় ভোট হবে, এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে রয়েছে। ১ থেকে ৩ দফায় ভোট হতে পারে বলে একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এপ্রিলেই ভোটের ফল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্রের খবর, সম্ভবত ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের(West Bengal Assembly Elections) দিন ঘোষণা হতে পারে।

ইতিমধ্যেই CEC জ্ঞানের কুমারের (Gyanesh Kumar) নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের ফুল বেঞ্চ বাংলায় এসে গোটা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দিয়েছে। সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্তা, জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সকলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এমনকী জ্ঞানের কুমার বিরোধীদল গুলির প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন রাজ্যে ভোট করার মতো পরিস্থিতি রয়েছে। প্রথম থেকেই জল্পনা চলছিল, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোট ঘোষণা হতে পারে। এবার জানা যাচ্ছে, ১৬ মার্চ বাংলায় ভোট ঘোষণা হতে পারে। ছাব্বিশের নির্বাচন রক্তপাতহীন করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। সেক্ষেত্রে, বাম-বিজেপি CECর কাছে জানিয়ে এসেছে, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির প্রবণতা কমবে।

আরও পড়ুন: ‘বিমানদা সামনে আসুন’, ফিরহাদের খালি চেয়ার এগিয়ে দিলেন মমতা

পশ্চিমবঙ্গে ভোট কত দফায় হবে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। অতীতে রাজ্যে নির্বাচনী হিংসার অভিযোগের জেরে বহু দফায় ভোট নেওয়ার নজির রয়েছে। এক সময় পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় ভোটও হয়েছে। তবে এখন কমিশনের অভ্যন্তরে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে এত বেশি দফায় ভোটের প্রয়োজনীয়তা নেই।সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দু’দফাতেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট আয়োজিত হতে পারে৷ ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, নয়া দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে আরও এক দফা আলোচনার পরেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷তিনি জানান, তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া বাকি প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দলই কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের কাছে এক বা ২ ধাপে ভোট করানোর আর্জি জানিয়েছে৷ নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকেরাও একই পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে প্রায় ৬০ লক্ষের নাম বিচারাধীন। তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এই মুহূর্তে প্রায় ৫০০ জন জুডিশিয়াল অফিসার কাজ করছেন। গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়টি নিয়ে আগাম পিটিশনও দেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তাতে বিরক্ত হয় সুপ্রিম কোর্ট। সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। তখনই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীনের নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও অনেকেরই ভাগ্য ঝুলছে। সেক্ষেত্রে জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানি চলতে থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ পর্যন্ত সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here