এসপিদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই তীব্র ভর্ৎসনা জ্ঞানেশ কুমারের

0
28

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে রাজ্যে ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রবিবারই কলকাতায় পৌঁছেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ১২ সদস্যের ফুল বেঞ্চ। সোমবার সকালে আটটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এক প্রস্থ আলোচনার পরেই জেলাশাসক ও কেন্দ্রীয় এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar)। কিন্তু সেই বৈঠকেই তিন কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাজে চূড়ান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করে তাদের কার্যত ধমক দিলেন সিইসি। নির্দেশ না-মানলে বিভাগীয় তদন্তের মুখে পড়তে হতে পারে। এ বার তা নিয়ে সকল জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশ সুপারকে সতর্ক করে দিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের সময়ে যেন কোনও বোমা বা পিস্তলের খবর না-পাওয়া যায়, তা নিয়েও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

এদিন বৈঠকের শুরুতেই এসপিদের তীব্র ভর্ৎসনা করেন জ্ঞানেশ কুমার। সূত্রের খবর, ‘ভোটের সময় অন্য রাজ্যে এত হিংসা হয় না, বাংলায় কেন ? সব রাজনৈতিক দল অভিযোগ করেছে, এবার এসব হবে না, গাফিলতি দেখলে রেয়াত নয়’, কড়া বার্তা জ্ঞানেশ কুমারের। কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠক স্পষ্ট করে দেয়, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হতেই হবে। নির্বাচনের সময়ে বা পরে কোনও ভাবেই যাতে হিংসার পরিস্থিতি তৈরি না-হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন জ্ঞানেশ।

আরও পড়ুন: সাহস থাকা ভাল, দুঃসাহস ভাল নয়, মে মাসের পর চেয়ার থাকবে তো? জ্ঞানেশকে নিশানা মমতার

নির্বাচন কমিশনের কড়া বার্তা,’HE CAN’T ESCAPE , নির্বাচনের পর দোষী সাব্যস্ত হলে পদক্ষেপ’, হুঁশিয়ারি জ্ঞানেশ কুমারের। পশ্চিমবঙ্গে SIR-র কাজে সন্তুষ্ট নয় কমিশন, সূত্রের খবর। ‘আপনাদের কাছে যে কাজ আশা করা হয়েছিল, গাফিলতির জন্য যথাযথ করতে পারেননি’, নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, সিইও ও প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই মন্তব্য জ্ঞানেশ কুমারের। ‘দায়িত্বশীল অফিসার হয়েও নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইনকে মান্যতা না দিয়ে কীভাবে কাজ ?’ প্রশ্ন জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের। তাঁর কথায়, ‘‘কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবে না পুলিশ।’’ বৈঠকে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘‘কোনও সভ্য সমাজে ভোটের সময় কেন গোলাগুলি চলবে?’’ জ্ঞানেশের সংযোজন, এই সংস্কৃতি বদলাতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here