কলকাতা: শুক্রবার দুপুরে আচমকাই কেঁপে উঠল উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতা (Earthquake In Kolkata)। কয়েক সেকেন্ড টানা কম্পনে দুলে উঠল শহরের একাধিক বহুতল।ভূমিকম্পের জেরে মধ্য কলকাতায় একটি বহুতল হেলে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়দের একাংশ। খবর পেয়েই গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ লাগোয়া ৩৪এ মেটকাফ স্ট্রিটের (Metcalfe Street, Kolkata) ওই বহুতলের সামনে পৌঁছে যায় দমকল। এই কম্পনের রেশ কাটতে না কাটতেই মধ্য কলকাতার মেটকাফ স্ট্রিটে একটি বহুতল হেলে পড়ার খবর ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। তবে বহুতলের বাসিন্দা এবং স্থানীয়দের অন্য একটি অংশের দাবি, বাড়িটি দীর্ঘ দিন ধরেই একই অবস্থায় রয়েছে। হেলে পড়়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেন তাঁরা।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায়, যা কলকাতা থেকে ১০০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে এর দূরত্ব মাত্র ২৬ কিলোমিটার। ভূপৃষ্ঠের মাত্র ৯.৮ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎস হওয়ায় শহর কলকাতায় এর প্রভাব ছিল বেশ জোরালো।শুক্রবার দুপুরে কম্পন অনুভূত হতেই অফিস পাড়া থেকে জনবহুল এলাকা, সর্বত্রই হুলস্থুল পড়ে যায়। সল্টলেক, ডালহৌসি, ধর্মতলা, গড়িয়াহাট সর্বত্রই আতঙ্কে মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়েন।পথচলতি কেউ কেউ কম্পন অনুভব করেছেন। কারও মনে হয়েছে, অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তাই মাথা ঘুরছে।হুলস্থুল পড়ে যায় দোকান-বাজারে। কয়েকটি বাড়ি হেলে পড়ার খবর ছড়ায়।
আরও পড়ুন: বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের, একাধিক শর্ত আদালতের
কম্পনের আতঙ্কের মধ্যেই খবর আসে গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ লাগোয়া ৩৪এ মেটকাফ স্ট্রিটের একটি বহুতল ভূমিকম্পের জেরে হেলে পড়েছে। স্থানীয়দের একাংশের এই দাবির ভিত্তিতে তড়িঘড়ি সেখানে পৌঁছায় দমকল বাহিনী। তবে বহুতলের বাসিন্দা ও অন্য এক অংশ দাবি করেন, বাড়িটি বহু বছর ধরেই এই অবস্থায় রয়েছে, নতুন করে কোনো হেলে পড়ার ঘটনা ঘটেনি। বহুতলটি হেলে পড়ার বা বড়সড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন মেলেনি।
