কলকাতা: অবিলম্বে DA মেটানোর দাবিতে রাজপথে সরকারি কর্মীরা। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের সরকারি কর্মীদের (WB Government Workers) বকেয়া ডিএ-এর (DA Case West Bengal) ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর এখনও হয়নি। এই অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার ‘কালীঘাট অভিযান’ (Kalighat Abhijan)। এই অভিযানের ডাক দিয়েছে ‘সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ’ (Sangrami Joutha Mancha)-সহ রাজ্য সরকারের একাধিক সংগঠন। তাদের আন্দোলনের জন্য প্রায় অবরুদ্ধ কলকাতা। এ দিকে অনুমতি না থাকায় মিছিল ঠেকাতে আগে থেকেই পদক্ষেপ করা হয়েছিল পুলিশের তরফে। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলন কারীদের কথা বলেছেন। তারা বলছেন আমরা ব্যান্ডিকেট ভাঙতে চাইনা। আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল করতে চাই।তারা অনুরোধ করছেন হাজরা অবধি আছে তাদেরকে যেতে দেওয়া হয়। লিন্ডসে স্ট্রিটের সামনে ব্যারিকেড করে রেখেছে পুলিশ। সরকারি কর্মীদের এই আন্দোলনের জেরে প্রায় অবরুদ্ধ কলকাতা। গোটা শহরেই তৈরি হয়েছে যানজট।
রাজ্যের সরকারি কর্মীদের দাবি একটাই- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না হলে মুখ্যসচিবকে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। সরকারি কর্মীরা কালীঘাট অভিযানের (Kalighat Abhijan) ডাক দিয়েছেন। যদিও সরকারি কর্মীদের ধর্মতলাতেই আটকে দেওয়া হয়। পাল্টা সরকারি কর্মীরাও ধর্মতলায় বসে পথ অবরোধ করে দেন। আন্দোলনকারীদের একটাই দাবি, আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল করতে চেয়েছিলাম পুলিশ আমাদের আটকেছে।আমাদের যদি আজকে কালীঘাট না যেতে দেওয়া হয় তাহলে আমরা এখানে অবস্থান বিক্ষোভ করবো।বিকেল চারটের সময় প্রেস কনফারেন্স করব।পুলিশের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারি কর্মীদের আটকানোর জন্য কলকাতা মিউজিয়ামের কাছে একটি ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। পাল্টা রাজ্য সরকারি কর্মীরা আটকে দেন ডোরিনা ক্রসিং। যতক্ষণ সরকার কথা বলবে না ততক্ষণই এই অবস্থান বিক্ষোভ চলবে। বিক্ষোভের জেরে জ্যামে আটকে বহু মানুষ। জ্যামে আটকে রয়েছে অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার। রোগী আনতে গিয়ে আটকে পড়েছে। আমরা রাস্তা ছাড়বো না।
আরও পড়ুন: রাজ্যে আসছে ২৪০ কোম্পানি কোথায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী? নজরে শুভেন্দুর ‘গড়’
কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সরকারি কর্মীদের দাবি তাদের হাজরা ক্রসিং পর্যন্ত যেতে দিতে হবে। বা প্রশাসনকে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।কোনও আন্দোলনকারী যাতে ব্যারিকেড টপকাতে না পারেন, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা হচ্ছে। পাল্টা আন্দোলনকারীরা মেট্রো চ্যানেলে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছেন। এ দিকে এই অভিযানের জেরে শহরের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় যানচলাচল ব্যাহত হয়েছে। বন্ধ গাড়ি চলাচল। স্বাভাবিক ভাবেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বহু সাধারণ মানুষকে।
